নির্বাচন এখন দুই মন্ত্রীর আত্মমর্যাদার লড়াই

0
57
Faridpur Upazila Election Pi

Faridpur Upazila Election Pi১৫ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফরিদপুর সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। এখন এ নির্বাচন প্রার্থীদের সীমানা ছাড়িয়ে মন্ত্রী ও সাবেক মন্ত্রীর মর্যাদার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে।

আত্মসম্মান রক্ষার্থে ওই দুই রাজনীতিক স্ব স্ব সমর্থিত প্রার্থীকে জয়ী করতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে ভোটাররা এ নির্বাচনকে বর্তমান প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও বিএনপির সাবেক ত্রাণমন্ত্রী চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের লড়াই হিসেবে দেখছেন।

ফরিদপুর সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়েছেন মোশাররফ হোসেনের ভাই খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর। অন্যদিকে কামাল ইউসুফের সমর্থন নিয়ে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা মাহবুবুল হাসান পিংকু।

এদিকে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নেওয়ায় খন্দকার মোশাররফ-কামাল ইউসুফের লড়াই দেখতে পারেননি ভোটাররা। ওই নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

তবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নিজের জনপ্রিয়তা দিয়ে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতেই কামাল ইউসুফ রাজপথে নেমেছেন বলে জানা গেছে।

উন্নয়নের দায়ভার নিজের ওপর নিয়ে তার দিকটা বিবেচনা করেই দলীয় প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছেন তিনি। এভাবে সদর উপজেলা নির্বাচন এখন দুই মন্ত্রীর লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে।

যদিও কামাল ইউসুফ ভোট চাইতে পারলেও এ নিয়ে বিপাকে রয়েছেন সরকার দলীয় মন্ত্রী। নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী মন্ত্রী থাকাবস্থায় নিজের ভাইয়ের জন্য ভোট চাইতে পারছেন না তিনি।

তবুও দলীয় নেতাকর্মী ও তার সমর্থকদের উন্নয়নের স্বার্থে দলীয় প্রার্থী অর্থাৎ তার ভাইকে বিজয়ী করতে কাজ করার নির্দেশনা অব্যাহত রেখেছেন তিনি। এছাড়া আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ঝর্ণা হাসানকে নিয়েও কিছুটা বিপাকে রয়েছে আওয়ামী লীগ। তবে বিএনপির একক প্রার্থী থাকায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে দলটি।

এ প্রসঙ্গে চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ বলেন, এটা দুই মন্ত্রীর লড়াই না, আওয়ামী লীগের সঙ্গে ভোটের লড়াই। ফরিদপুরে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে বিএনপির প্রার্থীই জয়ী হবেন। সারা দেশে আওয়ামী লীগের অত্যাচারের জবাব জনগণ ভোটের মাধ্যমে দিচ্ছেন।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, সাধারণ ভোটাররা তাদের ইচ্ছানুযায়ী ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। তবে উন্নয়নের স্বার্থে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে ভোট দেবেন বলে আশা করি।

ফরিদপুর সদর উপজেলার কয়েকজন ভোটার বলেন, সদর উপজেলায় খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও চৌধুরী কামাল ইউসুফের প্রার্থীর মধ্যেই হবে মূল লড়াই।

কেএফ