তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে আরও এক চুক্তি স্বাক্ষর

0
46

Petrobangla1অগভীর সাগরের ১১ নম্বর ব্লকে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে আরও একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে সরকার। যৌথ মূলধনী কোম্পানি গঠন করে অনুসন্ধান কাজ করবে অস্ট্রেলিয়া ভিত্তিক কোম্পানি সান্তোস ও সিঙ্গাপুর ভিত্তিক ক্রিস এনার্জি।

বুধবার দুপুর ১টায় রাজধানীর পেট্রোবাংলা ভবনে এ সংক্রান্ত উৎপাদন অংশীদারিত্ব চুক্তি (পিএসসি) স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান হোসেন মনসুর প্রমুখ।

দর প্রস্তাবে কোম্পানি দুটি ১ হাজার ৬ লাইন কিলোমিটার দ্বিতীয় মাত্রার এবং ৩০০ বর্গকিলোমিটার তৃতীয় মাত্রার জরিপের একটি ৫ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা জমা দিয়েছে। কোম্পানিটি ১ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার ব্যাংক গ্যারান্টি দেবে।

অর্থমন্ত্রী মুহিত বলেন, উন্নয়নের চাবিকাঠি জ্বালানী ও বিদ্যুৎ এদের হাতে। জ্বালানী ছাড়া উন্নয়নের কোনো উপায় নেই।

প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানী বিষয়ক উপদেষ্টা তৈফিক ই এলাহী বলেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশকে এশীয় পাইপ লাইনের সাথে সম্পৃক্ত করা হবে।

তিনি বলেন, আমরা জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে স্থিতিশীল করতে পেরেছি। এভাবে চলতে থাকলে বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হবে।

বর্তমান সরকারের  আগের মেয়াদে দেশে গ্যাসের উৎপাদন বেড়েছে ৩৩ শতাংশ বলে জানান তিনি।

তেল ভিত্তিক বিদ্যৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ব্যয় বাড়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, তেল ভিত্তিক বিদ্যৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে আমদানিকৃত তেলের কারণে। আমরা স্বল্প বা দীর্ঘ মেয়াদী যেভাবেই তেল আমদানি করি না কেন এসব আমদানিকৃত তেলের কারনেই বিদ্যুতের দাম বাড়ে।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেন, বাংলাদেশ আগামিতে জ্বালানী নিরাপত্তা সম্পন্ন দেশ হিসেবে বিশ্বের দরবারে দাঁড়াবে। আগামি মাসে আরেকটি চুক্তি স্বাক্ষর হবে বলে জানান তিনি।

এইচকেবি/