খুলনায় বাড়ছে না নারী বিনিয়োগকারীর সংখ্যা

0
30
nari-investor

nari-investorজাতীয় নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বাজারের সামান্য উন্নতি ঘটলেও পুরুষের পাশাপাশি নারী বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে না। যার কারণে পূর্বের ন্যায় খুলনার স্থানীয় হাউজগুলোতে নারী বিনিয়োগকারীদের দেখা মিলছে না। কারণ হিসেবে হাউজ কর্মকর্তারা জানান, অধিকাংশ নারী বিনিয়োগকারীর পুঁজি কম। বাজারের দীর্ঘ দরপতনে তাদের সেই কম পুঁজিও আটকে আছে। ফলে বাজার পুরোপুরি স্থিতিশীল না হওয়ায় তারা অনেকেই হাউজমুখী হচ্ছেন না।
বাজার বিমুখ একাধিক নারী বিনিয়োগকারী বলেন, পুঁজি আটকে থাকায় ইচ্ছা থাকলেও খানিকটা ঘুরে দাঁড়ানো বাজারে লেনদেন করতে পারছি না। আবার কেউ কেউ বলছেন, বাজারে দীর্ঘ পতন থাকার কারণে মূল পুঁজি হারিয়ে ফেলায় তারা বাজারমুখী হতে পারছেন না।
বিনিয়োগকারী সালমা ইসলাম ও শামীমা সুলতানা বলেন, মেয়েদের একটি সীমাবদ্ধতার মধ্যে চলতে হয়। ইচ্ছা করলেই পুরুষের ন্যায় রাস্তায় বের হওয়া যায় না। তারা জানান, অধিকাংশ হাউজেই নারীদের জন্য আলাদা বসার জায়গা নেই।
বিনিয়োগকারী আয়েশা বেগম বলেন, স্বল্প পুঁজির অধিকাংশ নারী বিনিয়োগকারীদের আইপিওর দিকে ঝোঁক বেশি। তিনি জানান, আইপিওর রিফান্ডের টাকা বার বার আটকে যাওয়ায় সাধারণ নারী বিনিয়োগকারীরা অনেকে রাগে ক্ষোভে বাজারমুখী হন না।
এছাড়া কয়েকজন নারী বিনিয়োগকারী বলেন, পুরুষের মতো নারী বিনিয়োগকারীরা ঋণ সুবিধা পায় না। ফলে বাজারে নারী বিনিয়োগকারী বাড়ছে না।
তবে সিকিউরিটিজ হাউজ কর্মকর্তা বলছেন, এ কথাটি সম্পূর্ণ সত্য নয়। অধিকাংশ হাউজেই নারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা রয়েছে।
অ্যাসোসিয়েটেড ক্যাপিটাল সিকিউরিটিজ হাউজের খুলনা শাখা ব্যবস্থাপক ওয়েস আলী জামাল বলেন, পুঁজিবাজারে নারী বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ বাড়াতে আমাদের হাউজে পৃথক বসার ব্যবস্থা রয়েছে। রয়েছে বিশেষ সুযোগ সুবিধা।
তিনি জানান, পুঁজিবাজারে যেন বেশি সংখ্যক নারী বিনিয়োগকারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয় এবং তারা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে লেনদেন করতে পারেন এজন্য অ্যাসোসিয়েটেড ক্যাপিটাল সিকিউরিটিজ হাউজে আলাদা ওয়ার্ক স্টেশন খোলার চিন্তা ভাবনা করছি। যেখানে মহিলা ট্রেডারের মাধ্যমে নারী বিনিয়োগকারীরা লেনদেন করতে পারেন।