আলোচনায় সমাধান না হলে আবারও আন্দোলনে যাবে রাবি শিক্ষার্থীরা

0
72

rajshahi-university_2শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা চলছে। এ আলোচনায় সমাধান না হলে পরবর্তী কর্মসূচিতে যাওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্ধিত ফি বাণিজ্যিক সান্ধ্যকোর্সবিরোধী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের একান্ত আহ্বানের প্রতি সাড়া দিয়ে এবং শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে মঙ্গলবারের কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য মঙ্গলবার ড. শামসুজ্জোহা স্মরণে শোকর‌্যালি, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শিক্ষার বাণিজ্যিকিকরণবিরোধী শপথ গ্রহণ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিলেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। সোমবার তারা ২ ফেব্রুয়ারি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে কালোব্যাচ ধারণ কর্মসূচি পালন করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটরিয়া আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আয়াতুল্লাহ খোমেনি। তিনি বলেন, আমাদের ন্যায্য দাবি আদায়ে এই  আন্দোলন চলছে, চলবে। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আহ্বানের দাবির ব্যাপারে কয়েকদফা আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আটদফা দাবি ঘোষণা করে বলা হয়, পরবর্তীকালে শিক্ষার্থীদের বিভাগ ও হল কমিটি,  বিভিন্ন মহলের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেয় দাবি আদায়ে পরবর্তী কর্মসূচি দেওয়া হবে।

দাবিগুলো হলো- সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সান্ধ্যকোর্স বাতিল, চলমান আইন ও বাণিজ্য অনুষদের সান্ধ্যকোর্স বাতিল, শিক্ষার্থীদের ওপর দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার, ক্যাম্পাসে জারি করা রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, অবিলম্বে হামলাকারী ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও বিচার এবং একাডেমিকভাবে বহিষ্কার, হামলায় আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার  দায়িত্ব প্রশাসনকে নেওয়া, হামলায় নেতৃদানকারী চার সহকারী প্রক্টরকে অপসারণ এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের বিচার করা, হলে আবাসিক শিক্ষার্থীদের থাকা এবং সার্বিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী গোলাম মোস্তফা, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী সোহরাব হোসেন, বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী আসাদুজ্জামান, ফোকলোর বিভাগের শিহাবুদ্দীন শিহাব প্রমুখ।

কেএফ