সোনার লাঙল পেলেন জাতীয় পার্টির দুই সাংসদ

0
34
babla-Firoz

ballaসংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় সোনার লাঙল উপহার পেলেন জাতীয় পার্টির দুই সংসদ সদস্য। এরা হলেন ঢাকা- ৬ আসনের সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ ও ঢাকা-৪ আসনের সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা।

এর আগে উপহার হিসেবে সোনার নৌকা পেয়েছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব এম এ আওয়াল।

সোমবার সকালে যাত্রাবাড়ীর নুর কমিউনিটি সেন্টারে কয়েক হাজার  নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সামনে যাত্রাবাড়ী থানা জাপার সভাপতি বিশিষ্ট শিল্পপতি এ দুই এমপির কাছে  এক ভরি ওজনের স্বর্ণের লাঙল তুলে দেন। এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর তাদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংর্বধনা দিতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ডেমরা ও যাত্রাবাড়ী থানা জাতীয় পার্টি।

তুহিনুর রহমান নুরুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কাজী ফিরোজ রশীদ ও সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা ছাড়াও যাত্রাবাড়ী থানার  ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অবনী শংকর রায় ও স্থানীয় জাতীয় পার্টির নেতারা বক্তব্য রাখেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কাজী ফিরোজ রশীদ সোনার লাঙল উপহার দেওয়ার জন্য তুহিনুর রহমান নুরু হাজীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘আমি জীবনে অনেক সংবর্ধনা পেয়েছি। কিন্তু আজকের সংবর্ধনা আমার কাছে ব্যতিক্রমধর্মী মনে হয়েছে।’

তিনি বলেন, যারা সন্ত্রাসী, অপহরণকারী, ডাকাত, তাদের ক্রসফায়ার দিয়ে মেরে ফেলা উচিত। যে সব মানবাধিকার কর্মী, সুশীল সমাজ ক্রসফায়ারে বিপক্ষে কথা বলেন, তারা দেশের শান্তি চান না। তাই তারা সন্ত্রাসী, অপহরণকারী ও চোর ডাকাতকে উৎসাহিত করার জন্য মানবাধিকারের ধোঁয়া তুলে।

সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা বলেন, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে, সংবিধান সমুন্নত রাখার জন্য জাতীয় পার্টি ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। যারা এই নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলে তারা দেশ ও জনগণ ও গণতন্ত্রের শক্র। তাদেরকে সর্বক্ষেত্রে প্রতিরোধ করতে হবে।

এদিকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সোনার লাঙল উপহার নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার ব্যক্তিগত সহকারী সুজন দে জানিয়েছেন, দলের নেতাকর্মীরা ভালোবেসে দুই এমপিকে সোনার লাঙল উপহার দিয়েছেন। তবে সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা সোনার লাঙলের সমপরিমাণ  অর্থ মাদ্রাসা ও এতিম খানায় দান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কয়েকদিনের মধ্যেই এই অর্থ তার নির্বাচনী এলাকার মাদ্রাসায় দান করে দেবেন।

তাছাড়া আমি জেনেছি ফিরোজ রশীদও তার সোনার লাঙলের সমপরিমাণ অর্থ তার নির্বাচনী এলাকায় যে কোনো একটি এতিমখানায় দান করবেন।

জিইউ/এআর