ভৈরবে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত

প্রতিনিধি

0
56
ভৈরব বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিভাস্কর্য ‘দুর্জয় ভৈরব’র পাদদেশে পুষ্পাঞ্জলী অর্পণ করা হয়।

যথাযোগ্য মর্যাদায় কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে।

আজ রোববার রাত ১২টা ০১ মিনিটে ৩১ বার তোপধ্বনি আর শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের মধ্যদিয়ে উদযাপনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

ভৈরব বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিভাস্কর্য ‘দুর্জয় ভৈরব’র পাদদেশে ভৈরববাসীর পক্ষে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের অগণিত শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অপর্ণের মধ্যদিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করেন উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিকদল ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন, সাংবাদিকদসহ পেশাজীবী বিভিন্ন সংগঠন, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

ভৈরব বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিভাস্কর্য ‘দুর্জয় ভৈরব’র পাদদেশে পুষ্পাঞ্জলী অর্পণ করা হয়।

 

সকাল ৭টার দিকে উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের পুরাতন ব্রক্ষ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত বধ্যভূমিতে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায় অনুরূপ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সংস্থা ও সংগঠন।

এ সময় শহীদদের রূহের মাগফেরাত কামনায় অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত।

সকাল ৯টা থেকে ভৈরব স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের কুচকাওয়াজের সালাম গ্রহণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলরুবা আহমেদ। এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) চিত্রা শিকারী, ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোখলেছুর রহমানসহ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কুচকাওয়াজে পুলিশ, আনসার, বিএনসিসি, রোভার, স্কাউটসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিশু-কিশোর সংগঠন অংশ নেন। পরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিশু-কিশোর সংগঠনের অংশ গ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় প্রযোগিতামূলক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শরীর চর্চা প্রদর্শনী।

বীরমুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থী উপস্থিত হয়ে ওইসব অনুষ্ঠানমালা উপভোগ করেন। এ সময় বীরমুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধিত করা হয়।

সন্ধ্যায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

অর্থসূচক/মোস্তাফিজ/কাঙাল মিঠুন