সত্যি সত্যি ফিরবে নিঁখোজ বিমানটি!

0
35
Malaysia-Airline-crash-3219384
হারিয়ে যাওয়া এমএইচ-৩৭০ বিমানে থাকা যাত্রীদের স্বজনদের আহজারী। ফাইল ছবি

Malaysia-Airline-crash-3219384সত্যি সত্যি ফিরে আসতে পারে নিঁখোজ হওয়া চীনগামী মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের বিমানটি! বোববার মালয়েশিয়ার এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ দাবি করছে বিধ্বস্ত নয় বরং হারানো বিমানটি ছিনতাই হয়েছে। আশা করা হচ্ছে নিঁখোজ বিমানটি এখনও অক্ষত আছে।

এর পেছনে অবশ্য কারণও আছে।রোববার ওই বিমানে থাকা এক চীনা যাত্রীর স্বজনকে তার মুঠোফোনে কল করা হলে ফোনটিতে রিং হয়েছে বেশ কয়েকবার। তবে ফোনটি রিসিভ করা হয়নি।

দ্যা মিররের এক খবরে বলা হয়েছে ওই ব্যক্তির ফোনকল চিনের বেশ কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেলে সরাসরি দেখানো হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিমানটি বিধ্বস্ত হলে ওতে থাকা যাত্রীর মুঠোফোন বাজার কথা না। কেননা সেক্ষেত্র ফোনটিও ধ্বংস হওয়ার কথা।

এদিকে মালয়েশিয়ার বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাদের পাসপোর্ট থাইল্যান্ড থেকে চুরি হয়ে গেছে বলে জানানো হয়েছিল, গোপন ক্যামেরায় ধারণকৃত তাদের ভিডিও ফুটেজ চেক করা হচ্ছে। এছাড়া অনুসন্ধান এলাকা বৃদ্ধি করে উদ্ধারকর্মীদের অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।

বিমানটি চীনের উদ্দেশ্য শনিবার স্থানীয় সময় ২টা ৪০ মিনিটে কুয়ালালামপুর থেকে ছেড়ে যায়। কিন্ত ১০টা ৩০ মিনিটে এটি বেইজিং-এ পৌঁছানোর কথা থাকলেও এটি পৌঁছায়নি। ভিয়েতনামী সরকারের ওয়েবসাইটে জানানো হয়, দক্ষিণ ভিয়েতনামের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় বিমানটির রাডার বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

মালয়েশিয়ান এভিয়েশনের এক মুখপাত্র আজহারুদ্দীন জানান, মালয়েশিয়ার উপকূলীয় অঞ্চলগুলোসহ অনুসন্ধান এলাকা বাড়ানো হয়েছে। তিনি বলেন, বোয়িং-৭৭৭ বিমানটিতে যাত্রীদের তালিকায় ৫ জন আরোহীর নাম ছিল। কিন্তু তারা বিমানে ওঠেননি। তাদের লাগেজও সরানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

উদ্ধারকর্মীদের দায়িত্বে থাকা প্রধান জেনারেল জুলকেফি জানান, উদ্ধারকাজে মোট ২২ টি বিমানসহ ৪০ টি জাহাজ অনুসন্ধান চালাচ্ছে।

মালয়েশিয়ান একজন সামরিক কর্মকর্তা জানান, বিমানটি আবার কুয়ালালামপুরে ফিরে আসার সম্ভাবনা ইতিবাচক। তিনি আরও জানান, বিমানটি যে পথে পাড়ি দিয়েছিল সেই রাডার পথে অনুসন্ধান কাজ জোরদার করা হয়েছে। ফলে এটি আবার ফিরে আসবে বলে মনে করেন তিনি।

গার্ডিয়ানের এক খবরে বলা হয়, বিমানটিতে যাত্রীদের তালিকায় এমন দু’জন আরোহীর নাম আছে যাদের একজন ইতালীয় এবং অন্যজন অস্ট্রিয়ার নাগরিক। তারা ওই ফ্লাইটটিতে ছিলেন না। তাদের পাসপোর্ট দু’টো থাইল্যান্ড থেকে চুরি গেছে বলে জানায় এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ। ফলে বিমান নিখোঁজ হবার ঘটনাটি কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত কি-না সে ব্যাপারে সন্দেহ করা হচ্ছিল।

মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অভিযান চালাচ্ছে তারা। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিধ্বস্ত বিমানের কোন ‘চিহ্ন’ খুঁজে পাওয়া যায়নি।  ৫ জন শিশুসহ ২২৭ জন যাত্রী, এবং ১২ জন ক্রু নিয়ে বিমানটি যাত্রা শুরু করেছিল।