কই মাছের প্রাণ তার !
রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » আন্তর্জাতিক

কই মাছের প্রাণ তার !

nigeriya..ঘটনাটাকে অসম্ভব বলে কেউ কেউ উড়িয়ে দিচ্ছেন, কেউ কেউ আবার অলৌকিক বলে মেনেও নিচ্ছেন। কিন্তু ঘটনাটা আদৌ অসম্ভব বা অলৌকিক না, তবে সচরাচর ঘটে না বলে অবিশ্বাস্য, আর এমন একটি অবিশ্বাস্য ঘটনার জন্ম দিয়েছেন নাইজেরিয়ান যুবক হ্যারিসন ওদজেগবা ওকেনো, একদিন-দুইদিন নয়, টানা তিনদিন আটলান্টিক মহাসাগরের ১০০ ফুট পানির গভীরে কাটিয়ে অবিশ্বাস্যভাবে জীবিত ফিরেছেন তিনি। আর তারও পাচঁ মাস পর সেই ভিডিও ইউ টিউবে ছেড়ে সম্প্রতি হৈচৈ ফেলে দিয়েছেন অনলাইন দুনিয়ায়।

 

কাজ করতেন জাহাজে, পেশায় রাঁধুনি। মে মাসে হঠাৎ করেই অ্যাটলান্টিক মহাসাগরে ডুবে যায় তার জাহাজটি। মারা যান জাহাজের আর সব্বাই। সেই সময় জাহাজের শৌচাগারে ছিলেন নাইজিরিয়ার বাসিন্দা হ্যারিসন ওদজেগবা ওকেনো। সৌভাগ্যবশত, পুরো জাহাজটি জলের তলায় চলে গেলেও জল ঢোকেনি শৌচাগারে। ফলে সেখানেই তৈরি হয় এয়ার পকেট। সেই এয়ার পকেটে থাকা অক্সিজেনের সাহায্যেই টানা তিন দিন অ্যাটলান্টিকের গভীরে কাটিয়ে দেন ওকেনো।

তিন দিন পর উদ্ধারে নামেন ডুবুরিরা। মৃতদেহ ভেবেই ওকেনোর হাত ধরে তুলতে যান উদ্ধারকারী দলের সদস্য টনি ওয়াকার। কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে টের পান, তখনো বেঁচে রয়েছেন ওকেনো। মে মাসের এই ঘটনার ভিডিও ছ মাস পর ইউটিউবে আপলোড করা হয়। এরপরই রীতিমতো তোলপাড়-হৈচৈ, মিডিয়ার শিরোনামে ওকেনো।

মঙ্গলবার এক সাক্ষাত্কারে টনি ওয়াকার বলেন, অ্যাটলান্টিকের মতো গভীর মহাসাগরে এত ঠাণ্ডায় ওকেনো যে বেঁচে ছিলেন এটাই অবিশ্বাস্য। তাপমাত্রা যেখানে হিমাঙ্কের বহু নীচে সেখানে এই তিন দিন শুধু মাত্র একটি হাফ প্যান্ট পড়ে কাটিয়ে দিয়েছেন ওকেনো।

উদ্ধারকারীদের মতে, অক্সিজেন শেষ হয়ে আসছিল এয়ার পকেটে, সেজন্য আরও কয়েক দিন পরে পৌছলে হয়তো মারাই যেতেন ওকেনো।

ওকেনো জানান, চারিদিকে ভয়ানক অন্ধকার ছিল। যখন হাঙর ও অন্যান্য মাছের ভয় জাগানিয়া শব্দ শুনতে পেতাম, আতংকে গা শিউরে উঠত আমার। জীবিত ফিরতে পারবো এমন আশা ছিলো না, বাবা-মার দোয়ার বদৌলতে নতুন জীবন ফিরে পেয়েছি।

এই বিভাগের আরো সংবাদ