বগুড়ায় সোনালী ব্যাংকে টাকা লুটের ঘটনায় ব্যবস্থাপকসহ আরও ৭ জন আটক

0
31
বগুড়া ব্যাংক ভল্ট

বগুড়া ব্যাংক ভল্টবগুড়ায় সুড়ঙ্গ খুড়ে সোনালী ব্যাংক ভল্টের ৩০ লাখ টাকা লুটের ঘটনায় পুলিশ ব্যাংকের ব্যবস্থাপকসহ আরও ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

এ নিয়ে  এ ঘটনায় আটকের সংখ্যা দাড়ালো ১২ জনে।

আদমদীঘি থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, টাকা লুটের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রোববার সকালে ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক মো. শামছ উদ্দিন শরীফসহ সাতজনকে আটক করা হয়েছে।

আটক অন্যরা হলেন- ব্যাংকের নিরাপত্তারক্ষী রুহুল আমীন, ব্যাংক কার্যালয় সংলগ্ন বিপ্লব ফার্নিচার দোকানের কর্মচারী শফিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, আব্দুল ওহেদ, মো. মৃদুল, পাশের ওয়েলডিং দোকানের কর্মচারী আব্দুল লতিফ।

এর আগে শনিবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ সড়কের পাশে অবস্থিত সোনালী ব্যাংকের শাখাটির পেছন দিকে একটি সুড়ঙ্গের সন্ধান পাওয়া যায়। পরে ব্যাংক কর্মকর্তারা  ব্যাংকের ভল্ট ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ভল্ট ভেঙে লুট করা হয়েছে ৩২ লাখ ৫১ হাজার টাকা।

এর আগে ২৬ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জ শহরের রথখোলা এলাকায় সোনালী ব্যাংকের অফিসে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ১৬ কোটি ৯০ লাখ টাকা চুরি হয়।

দু’দিনের মাথায় এ চুরির মূল হোতা সোহেল ওরফে হাবিবসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

আদমদীঘি থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, টাকা লুটের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রোববার সকালে ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক মো. শামছ উদ্দিন শরীফসহ সাতজনকে আটক করা হয়েছে।

আটক অন্যরা হলেন- ব্যাংকের নিরাপত্তারক্ষী রুহুল আমীন, ব্যাংক কার্যালয় সংলগ্ন বিপ্লব ফার্নিচার দোকানের কর্মচারী শফিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, আব্দুল ওহেদ, মো. মৃদুল, পাশের ওয়েলডিং দোকানের কর্মচারী আব্দুল লতিফ।

আদমদীঘি বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন সোনালী ব্যাংকের কার্যালয় সংলগ্ন বিপ্লব ফার্নিচারের দোকান থেকে সুড়ঙ্গ কেটে ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৩০ লাখ ৭৯ হাজার ৮০০ টাকা লুট হয়।

শনিবার বিকালে ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. শামছ উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের প্রার্থীদের টাকা লেনদেনের জন্য সোনালী ব্যাংকের সব শাখা শনিবার খোলা ছিল। তবে ব্যাংকে লেনদেন হয়নি।