ভিয়েতনাম সাগরেই নিখোঁজ বিমানের সন্ধান

0
74

china_malaysia_plan২৩৯ জন আরোহী নিয়ে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের যাত্রীবাহী বিমান বোয়িং-৭৭৭  শনিবার রাতে ভিয়েতনাম সাগরে বিধ্বস্ত হয়েছে। রোববার রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে দক্ষিণ চীন সাগরের ওই অঞ্চলে উড়োজাহাজটি বিধ্বস্তের কথা নিশ্চিত করেছেন এক ঊর্ধ্বতন নৌ কর্মকর্তা। খবর বিবিসি, গার্ডিয়ান ও রয়টার্সের।

মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্স জানায়,  বিমানটি চিনের উদ্দেশ্য শনিবার স্থানীয় সময় ২টা ৪০ মিনিটে কুয়ালালামপুর থেকে ছেড়ে যায়। কিন্ত ১০টা ৩০ মিনিটে এটি বিইজিং-এ পৌঁছানোর কথা থাকলেও এটি পৌঁছায়নি। ভিয়েতনামী সরকারের ওয়েবসাইটে জানানো হয়ে, দক্ষিণ ভিয়েতনামের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় বিমানটির রাডার বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দেশটির ছা মাউ পেনিনসোলা উপদ্বীপে এটির শেষ অবস্থান জানা গেলেও এটি তখনও স্পষ্ট ছিলনা ।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, হতাহতদের উদ্ধারে দক্ষিণ চীন সাগরে দুটি জাহাজ পাঠিয়েছে চীন। ভিয়েতনামও উদ্ধারকারী দল পাঠিয়েছে সেখানে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিধ্বস্ত বিমানের কোন ‘চিহ্ন’ খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এর আগে  চীনের সি-১৩০ উদ্ধারকর্মীদের সাথে ভিয়েতনামের একজন কর্মকর্তা জানান, ১৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে শুধু তেলের স্লিক অংশ সাগরের পানির ওপর ভেসে থাকতে দেখা গেছে।  যা থেকে  বিশেষজ্ঞরা অনুমান করছেন, হতভাগ্য বোয়িং-৭৭৭ চীন সাগরে ডুবে গিয়েছে।plane

বিমানটিতে ৫ জন শিশুসহ ২২৭ জন যাত্রী, এবং ১২ জন ক্রু নিয়ে তার যাত্রা শুরু করেছিল।

গার্ডিয়ানের ওই খবরে বলা হয়, বিমানটিকে যাত্রীদের তালিকায় এমন দু’জন আরোহীর নাম আছে যাদের একজন ইতালীয় এবং অন্যজন অস্ট্রিয়ার নাগরিক। তারা ওই ফ্লাইটটিতে ছিলেন না। তাদের পাসপোর্ট দু’টো থাইল্যান্ড থেকে চুরি গেছে বলে জানায় এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ। ফলে বিমান নিখোঁজ হবার ঘটনাটি কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত কি-না সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বিমানটি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে বলে যে আশংকা করা হচ্ছে, সেটি সত্যি হলে এটি হবে বোয়িং ট্রিপল সেভেনের উনিশ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনা।

এস রহমান/