বিদেশীদের আপত্তিতে এ মাসেও অনিশ্চিত টি প্লাস টু

0
88
dse brocker
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ভবন

dse t+2 settlment cycleঢাকা স্টক এক্সেচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন নিষ্পত্তিতে টি প্লাস টু স্যাটলমেন্ট সিস্টেম চালুর প্রক্রিয়ায় শনির দশা কাটছেই না। এ পদ্ধতি চালুর জন্য দফায় দফায় সময়সূচি ঘোষণা করেও তা রাখতে পারছে না ডিএসই কর্তৃপক্ষ। এ পদ্ধতি চালুতে এবার বাধ সেধেছে বিদেশী পোর্টফোলিও ম্যানেজাররা। নতুন পদ্ধতি চালুর ক্ষেত্রে সম্ভাব্য কিছু টেকনিক্যাল সমস্যার কথা তুলে ধরেছে তারা। এ কারণে এ মাসেও অনিশ্চিত টি প্লাস টু চালু। বিএসইসি ও ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

উল্লেখ, ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে দুই বছর আগে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) টি প্লাস টু চালুর অনুমতি দেয়। এর প্রেক্ষিতে গত বছরের ৩ নভেম্বর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) এই পদ্ধতি চালু  করে। কিন্তু ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কয়েক দফা সম্ভাব্য সময়সূচি ঠিক করেও তা চালু করতে পারেনি।

ডিএসইতে টি প্লাস টু চালুর ক্ষেত্র সর্বশেষ বাধা ছিল তাদের স্যাটলমেন্ট বিধিমালা। গত সপ্তাহে ওই বিধিমালা (স্যাটলমেন্ট অফ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ট্রান্সজেকশন রেগুলেশন-১৯৯৮) সংশোধনের প্রজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়। আর এর মধ্যদিয়ে নতুন পদ্ধতি চালুর সর্বশেষ বাধাটিও দুর হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু এবার নতুন বাধা এসে হাজির হয়েছে।

বর্তমানে ডিএসইতে এ, বি ও এন ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেনের নিষ্পত্তি হয় টি প্লাস থ্রি সাইকেলে। এ পদ্ধতিতে শেয়ার কেনার চতুর্থ দিনে গ্রাহক তার হিসাবে শেয়ার বুঝে পান। সেদিনই ওই শেয়ার বিক্রির উপযোগী হয়। বিনিয়োগকারী চাইলেই তা বিক্রি করতে পারেন। অন্যদিকে শেয়ার বিক্রির বেলায় চতুর্থ দিনে টাকা বুঝে পান বিনিয়োগকারী। টি প্লাস টু চালু হলে লেনদেন নিষ্পত্তির সময় একদিন কমে আসবে। ফলে চতুর্থ দিনের পরিবর্তে তৃতীয় দিনে শেয়ার বা টাকা বুঝে পাওয়া যাবে।

জানা গেছে, গত সপ্তাহে বেশ কয়েকটি বিদেশী পোর্টফোলিও ম্যানেজার বিএসইসির কাছে টি প্লাস টু চালুতে তাদের আপত্তির কথা জানায়। তাদের মতে, টি প্লাস থ্রি’র পরিবর্তে টি প্লাস টু চালু করা হলে তারা কিছু সমস্যায় পড়তে পারেন। এর প্রেক্ষিতে বিএসইসি ডিএসইকে বিষয়টি পর্যালোচনা এবং সম্ভাব্য সমস্যার সমাধানের পর টি প্লাস চালুর নির্দেশ দেয়।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএসইর একজন কর্মকর্তা বলেন, বিদেশী পোর্টফোলিও ম্যানেজাররা যে সমস্যার আশংকা করছেন তা গুরুতর নয়। এগুলো সমাধানযোগ্য। তাদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমস্যাগুলোর সমাধান করা হবে। তারপর স্বল্পতম সময়ের মধ্যে তারা টি প্লাস চালু করবেন।