মুনাফা বেড়েছে ডিএস-৩০ সূচকভূক্ত বেশিরভাগ কোম্পানির

0
31
ডিএস ৩০

ডিএস ৩০ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ এ অন্তর্ভূক্ত প্রায় ৫৩ ভাগ কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে। সূচকভূক্ত ৩০ কোম্পানির মধ্যে ১৬টি কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে, কমেছে ১৪ টির। কোম্পানিগুলোর সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানা গেছে।

সবচেয়ে বেশি মুনাফা করেছে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো। কোম্পানিটি ৩১ ডিসেম্বর,১৩ সমাপ্ত অর্থবছরে মুনাফা করেছে ৪৮৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছে ৮১ টাকা ১৪ পয়সা। যেখানে আগের বছর কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় করেছিল ৬৫ টাকা ৬৯ পয়সা।

এছাড়া কোম্পানিটি লভ্যাংশ ঘোষণায়ও রেকর্ড গড়েছে। এবার ৬২০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।

তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি,১৩-সেপ্টেম্বর,১৩) তথ্যমতে, বেক্সিমকো ফার্মা মুনাফা করেছে ১০৮ কোটি ৩১ লাখ টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছে ৩ টাকা ৯ পয়সা। যা আগের  বছর একই সময় ছিল ১০৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছিল ২ টাকা ৯৫ পয়সা।

একইভাবে হাইডেলবার্গ সিমেন্টের ২০১৩ সালে মুনাফা হয়েছে ১২৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছে ২১ টাকা ৮৯ পয়সা। যা আগের  বছর একই সময় ছিল ১০৮ কোটি ৭৭ লাখ টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছিল ১৯ টাকা ২৫পয়সা।

অর্ধ-বার্ষিকীতে (জুলাই,১৩-ডিসেম্বর,১৩) যমুনা অয়েল মুনাফা হয়েছে ৮৪ কোটি ৮১ লাখ টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছে ৯ টাকা ২৯ পয়সা। যা আগের  বছর একই সময় ছিল ৭৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছিল ৮ টাকা ৭ পয়সা।

এদিকে লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট ২০১৩ সালে শেয়ারহোল্ডারদের কোন লভ্যাংশ না দিলেও মুনাফা বেড়েছে কোম্পানিটির।

এ বছর মুনাফা হয়েছে ২৫৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছে ২ টাকা ১৯ পয়সা। যা আগের  বছর একই সময় ছিল ১৮৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছিল ১ টাকা ৬০ পয়সা।

এছাড়া লঙ্কাবাংলার ২০১৩ সালে শেয়ার প্রতি আয় করেছে ৪ টাকা ৫৮ পয়সা। যা আগের  বছর একই সময় শেয়ার প্রতি আয় করেছিল ১ টাকা ৬৭ পয়সা।

মেঘনা পেট্রালিয়ামের মুনাফা বেড়েছে ১০৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকা শেয়ার প্রতি আয় করেছে ১৩ টাকা ৪১ পয়সা। যা আগের  বছর একই সময় ছিল ৭৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছিল ৯ টাকা ৫৭ পয়সা।

প্রকৌশল খাতের কোম্পানি বিএসআরএম স্টিলের শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৪ টাকা ৮ পয়সা।  যেখানে আগের বছর কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় করেছিল ৩ টাকা ৬ পয়সা।

এছাড়া অলিম্পক ইন্ডাস্ট্রজের ৪২ শতাংশ, পূবালী ব্যাংকের ৫১ শতাংশ, রেনেটা লিমিটেডের ২০ শতাংশ,  স্কয়ার ফার্মার ২৭ শতাংশ, সামিট পাওয়ার লিমিটেডের ৩০ শতাংশ, তিতাস গ্যাসের ২ শতাংশ, ইউসিবিএলের ৯৪ শতাংশ এবং উত্তরা ব্যাংকের ৫ শতাংশ মুনাফা বেড়েছে।

সবচেয়ে বেশি মুনাফা কমেছে ঢাকা ইলেকট্রিক পাওয়ার সাপ্লাই লিমিটেডের। অর্ধ-বার্ষিকীতে কোম্পানিটি মুনাফা করেছে ১৯ কোটি ১৯ লাখ টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছে ৫৬ পয়সা। যা আগের  বছর একই সময় ছিল ৭১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছিল ২ টাকা ৬ পয়সা।

এদিকে মুনাফা কমার তালিকায় রয়েছে, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, আর এন স্পিনিং, গ্রামীণ ফোন, ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স, অরিয়ন ফার্মা, পাওয়ার গ্রীড, আফতাব অটো এবং বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন লিমিটেড।