৯ মার্চ ঢাবি আসছে তরুণ উদ্যোক্তা সাবিরুল

0
63
DU

DUআগামি ৯মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধূরী সিনেট ভবনে তরুণদের জন্য আয়োজিত ব্যতিক্রমধর্মী “দি ইর্ন্টাপ্রেনিয়ারস টক” শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাবি আসছে বাংলাদেশি বংশদ্যূত আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মোটিভেশনাল স্পিকার সাবিরুল ইসলাম। মূলবক্তা হিসেবে তিনি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামানাই এ্যাসোসিয়েশন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রকীবউদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটির সার্বিক আয়োজনে সহযোগিতা করবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম অনলাইন পত্রিকা ‘ডিইউ টাইমজ’

অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করবেন ঢাবি ভিসি অধ্যাপক আ আ ম স আরেফীন সিদ্দিক। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রাইভেট সেক্টরে সফল ব্যক্তিত্ব হিসেবে বক্তব্য রাখবেন এপেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী, ডেফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার মো. সবুর খান, বিবি প্রোডাকশনের স্বত্বাধিকারী ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফ্যাশন ডিজাইনার বিবি রাসেল, বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশীপ সেন্টারের সভাপতি এজাজ আহমেদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডীন অধ্যাপক প্রফেসর শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম।

সকাল সাড়ে নয়টায় শুরু অনুষ্ঠানটি তিনটি ভিন্ন পর্বে বিভক্ত থাকবে। প্রথম পর্বে থাকছে আলোচনা, ২য় পর্বটি থাকবে শুধুই সাবিরুল ইসলাম এবং ৩য় পর্ব হচ্ছে প্রশ্নোত্তর।

মোডারেটর হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি জেনারেল দেওয়ান রাশেদুল হাসান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাশেদুর রহমান।

উল্লেখ্য, ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব সমস্যা মোকাবিলায় উদ্যোক্তা তৈরির বিকল্প খুঁজে পাওয়া দুষ্কর এ ভাবনা মাথায় রেখেই ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। যা সম্ভাবনাময় তরুণদের মস্তিষ্কে লুকোনো ব্যবসা পরিকল্পনাগুলোকে একটা অনবদ্য মঞ্চে আসীন করবে।

তাছাড়া, তরুণ উদ্যোক্তাদের সামনে উন্মোচিত করবে সাফল্যের অভিনব দুয়ার। নতুন উদ্যোক্তা তৈরি, তাদের উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি ও দেশের শিল্পোন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা, উদ্যোক্তাদের জন্য এমন একটি প্লাটফর্ম তৈরি করবে যেখানে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে উঠবে। ব্যবসা সম্পর্কিত বাধা-প্রতিকূলতা মোকাবিলা করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ লক্ষ্য অর্জনে ঝুঁকি মোকাবিলার ক্যাপাসিটি তৈরি করা, দেশের বেকারত্ব সমস্যার কারণ চিহ্নিতকরণ এবং প্রশমনের উদ্যোগ/ উপায় বের করার লক্ষ্যে সফল নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা।