সুন্দরবন রক্ষার হরতালে দেশবাসীর সমর্থন চায় জাতীয় কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক

0
85
প্রস্তাবিত রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের নকশা। ছবি সংগৃহীত

সুন্দরবনের কাছে রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ বন্ধের দাবিতে ২৬ জানুয়ারি ডাকা আধাবেলা হরতাল সফল করতে দেশবাসীর সমর্থন চেয়েছে তেল-গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি।

আজ সোমবার রাজধানীর পুরানা পল্টনের মুক্তি ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে দেশবাসীর কাছে এই সমর্থন চান জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।

প্রস্তাবিত রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের নকশা। ছবি সংগৃহীত
প্রস্তাবিত রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের নকশা। ছবি সংগৃহীত

উল্লেখ, রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ বন্ধের দাবিতে ২৬ জানুয়ারি সকাল ছয়টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত হরতাল ডেকেছে জাতীয় কমিটি।

সংবাদ সম্মেলনে আনু মুহাম্মদ বলেন, সুন্দরবন রক্ষায় তারা বাধ্য হয়ে হরতাল দিয়েছেন। আগে দেশের মানুষ সহিংস হরতাল দেখেছে। কিন্তু তাদের ডাকা হরতাল হবে সম্পূর্ণ বিপরীত।

হরতাল সফল করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে আনু মুহাম্মদ বলেন, হরতালের দিন সুন্দরবন নিয়ে শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের ক্লাস হোক রাজপথে। লেখক, শিল্পী, বুদ্ধিজীবীদের স্থান হোক সুন্দরবন রক্ষার মিছিলে। জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে সুন্দরবন রক্ষা পাবে।

জাতীয় কমিটির এই সদস্যসচিব বলেন, সুই থেকে রকেট—সবই বানানো যাবে। কিন্তু সুন্দরবন বানানো সম্ভব হবে না। সুন্দরবন শুধু বাংলাদেশের নয়, সমগ্র মানবজাতির সম্পদ। রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হলে তা সুন্দরবনকে ধ্বংস করবে।

এদিকে রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে এক আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী ভুল তথ্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, রামপালে বিদ্যুৎ প্রকল্পের ক্ষতিকর দিক নিয়ে জাতীয় কমিটি অনেক দলিলপত্র সরকারকে দিয়েছে। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে সরকার বারবার ভুল তথ্য দিচ্ছে।

জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের অনেক বিকল্প আছে। কিন্তু সুন্দরবনের বিকল্প নেই।

পথচারী, সাইকেল, রিকশা, রিকশাভ্যান, অ্যাম্বুলেন্স ও গণমাধ্যম হরতালের আওতার বাইরে থাকবে বলে জানান আনু মুহাম্মদ।

টি