গ্যাসের উপর নির্ভরশীল নয় এমন প্রতিষ্ঠানকে সরকারের উৎসাহ

0
34
Amir Hossain Amu
গ্যাসের উপর নির্ভরশীল নয় এমন প্রতিষ্ঠানকে সরকারের উৎসাহ

Amir Hossain Amuগ্যাসের উপর  নির্ভরশীল নয় এমন শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বর্তমান সরকার উৎসাহ যোগাবে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। এ সময় গ্যাস সংকটের কথা উল্লেখ করে শিল্প উদ্যোক্তাদের গ্যাস নির্ভর নয় এমন শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

বুধবার সকালে চট্টগ্রামের একটি হোটেলে মেধা সম্পদ সৃষ্টি ও বাণিজ্যিকীকরণ নিয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি। শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিডিটি) ‘মেধা সম্পদের সৃষ্টি ও এর বাণিজ্যিকীকরণ‘ শীর্ষক এ সেমিনারের আয়োজন করে। এ সময় মন্ত্রী দেশীয় শিল্প বিকাশে সহায়ক এমন নতুন নতুন প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি উদ্ভাবনে গবেষকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, মেধা ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধিতে উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গবেষণার সুযোগ সুবিধা আরও বাড়াতে হবে। পাশাপাশি উদ্যাক্তা, উদ্ভাবক ও গবেষকদের মধ্যে সমন্বয় তৈরি করতে হবে যাতে উদ্যেক্তাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রযুক্তির উদ্ভাবন করা যায়।

এ সময় তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার মেধা সম্পদের মালিকানা সংরক্ষণ ও উন্নয়ণে জাতীয় শিল্পনীতি প্রণয়ন, ট্রেড মার্কস ও ভৌগলিক সম্পদ পণ্য আইন প্রণয়ন করেছে। এছাড়া, পেটেন্ট ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরে স্বংয়ংক্রিয় নিবন্ধন সেবা চালূ করা হয়েছে।

তরুণ প্রজন্মকে অস্ত্র ও পেশীশক্তির বদলে  তথ্য ও প্রযুক্তিখাতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হওয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

এর আগে শিল্পমন্ত্রী আজ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের বিভিন্ন সেবা ও কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি এর কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

এ সময় তিনি বলেন, শিল্প উৎপাদন অব্যাহত রেখে জনগণের জীবনমানের কাঙ্খিত পরিবর্তনের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার কাজ করছে। সরকার শিল্প কারখানায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গ্যাস সরবরাহের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই) এর সভাপতি মাহবুবুল আলম, সহ-সভাপতি সৈয়দ জামাল আহমেদ, পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ মো. অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন), কামাল মোস্তফা চৌধুরী ও আনোয়ার শওকত আফসার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দিন দিন সুদৃঢ় হলেও এতদিন পর্যন্ত দেশে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার অর্গানাইজেশন এর কোনো সদস্য প্রতিষ্ঠান ছিল না। চট্টগ্রামে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার প্রতিষ্ঠার ফলে দেশের ব্যবসায়ী শিল্প উদ্যোক্তাদের দীর্ঘ দিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। এটি নির্মাণের ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি বাণিজ্য সম্পর্কিত প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করা সহজ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।