তদন্তের অগ্রগতি জানাতে আদালতে হাজির র‌্যাব, শুনানি ২টায়

0
56
sagor runi

sagor runiনিহত সাংবাদিক সাগর-রুনি দম্পতি হত্যার দু’বছর কেটে গেলেও এই হত্যা রহস্যের কুল কিনারা করতে পারেনি আইন-শৃংখলা বাহিনী। হত্যা মামলার সর্বশেষ অবস্থা জানাতে আজ  আদালতে হাজির হয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব জাফর উল্লাহ।

বুধবার বেলা সোয়া ১০টার দিকে জাফর উল্লাহ আদালতে হাজির হন। বেলা ১১টার দিকে বিচারপতি মো.শওকত হোসেন ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ দুপুর ২টায় শুনানির সময় নির্ধারণ করেন।

এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ওই হত্যা মামলায় র‌্যাবের তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করে হাইকোর্ট। হত্যাকাণ্ডের পর দুই বছর পেরিয়ে গেলেও অভিযোগপত্র না হওয়ায় এ মামলায় গ্রেপ্তাতারকৃত তিন আসামি ওইদিন জামিন চাইতে হাইকোর্টে গেলে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর বেঞ্চ এই আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে ৫ মার্চ হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে র‌্যাবের মহা-পরিচালককে এই নির্দেশ বাস্তবায়নের দায়িত্ব দিয়েছেন আদালত।

বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তিন আসামির জামিন আবেদনের শুনানিকালে এ আদেশ দেন। আদালত বলেন,‘আমরা তদন্তের অগ্রগতি জেনে তারপর জামিনের বিষয়ে আদেশ দেব।’

এই নির্দেশনা অনুসারে আজ  তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে হাজির হয়েছেন বলে জানিয়েছেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল গাজী মো. মামুনুর রশীদ। ইতোমধ্যে ওই দ্বৈত বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান।এরপর জামিন আবেদনকারীর আইনজীবি বিষয়টি শুনানির জন্য বিচারপতি মো.শওকত হোসেনের বেঞ্চে উপস্থাপন করেন।

সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল গাজী মো.মামুনুর রশীদ জানান, মামলার ফাইল না আসায় আদালত দুপুর ২টায় শুনানির সময় নির্ধারণ করেছেন।

উল্লেখ্য,২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজারে নিজ বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। পুলিশ হত্যা রহস্যের কিনারা করতে না পারায় হাইকোর্টের নির্দেশেই ২০১২ সালের ১৮ই এপ্রিল মামলাটি র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

র‌্যাব তদন্তের দায়িত্ব নেওয়ার পর সন্দেহভাজন ১৬ জনের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠায়। এছাড়া আলামত হিসেবে জব্দকৃত ছুরি ও পোশাকের নমুনাও পাঠানো হয়। কিন্তু তাতেও খুনি সনাক্ত করা যায়নি।

হত্যাকাণ্ডের এক বছর আট মাস পর ঘটনায় ‘জড়িত’ আটজনকে চিহ্নিত করে সাতজনকে গ্রেপ্তাতারের কথা জানান সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর। এর মধ্যে পাঁচজনই আবার চিকিৎসক নেতা ডা. নারায়ণ চন্দ্র দত্ত নিতাই হত্যা মামলার আসামি।

এমআর/কেএফ