ব্যাংকারদের জন্য হচ্ছে না ফান্ড

::

0
74
bangladesh-bank
বাংলাদেশ ব্যাংক লোগো। ফাইল ছবি

ব্যাংকারদের জীবন মান উন্নয়নে হচ্ছে না ওয়ার্কার্স প্রফিট পার্টিসিপেশন ফান্ড। ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশান অব ব্যাংকার্স (এবিবি) এর আপত্তির মুখে বাতিল করা হচ্ছে এর উদ্যোগ। এতে সায় দিয়েছে খোদ বাংলাদেশ ব্যাংকও।

bangladesh-bankদেশের সব তফসিলি ব্যাংকে কার্যরত কর্মকর্তাদের জন্য ওয়ার্কার্স প্রফিট পার্টিসিপেশন ফান্ড গঠন করার উদ্যোগ নেয় শ্রম মন্ত্রণালয়। এই ফান্ডের অর্থায়নের জন্য ব্যাংকগুলোর নিট মুনাফার শতকরা ৫ ভাগ শ্রম মন্ত্রণালয়ের অধীন শ্রম কল্যাণ তহবিলে জমা দিতে বলা হয়। যা শ্রম আইন, ২০০৬ (২০১৩ পর্যন্ত সংশোধিত) অনুযায়ী বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

কিন্তু এর বিপক্ষে অবস্থান নেয় এবিবি। তারা অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে এ বিরোধিতা করে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়, ব্যাংকগুলো পরিচালিত হয় ব্যাংক কোম্পানি আইনের মাধ্যমে। শ্রম আইন, ২০০৬ (২০১৩) বাস্তবায়ন কল্পে নিট মুনাফার শতকরা ৫ ভাগ কর্তন হলে বিষয়টি ব্যাংক কোম্পানি আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে। সিএসআর কার্যক্রমের মাধ্যমে যেকোনো সংকটে ব্যাংক শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ায়। ব্যাংকগুলোর মোট মুনাফার উপর কর পরিশোধের পর নিট মুনাফা অর্জিত হয়; যা কল্যাণ তহবিলে জমা প্রদান করার বিষয়টি এবিবি যুক্তিযুক্ত মনে করেনি।

অন্যদিকে ১৪ নভেম্বর, ২০১৬ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি দেওয়া হয়।

চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ শ্রম আইনের পঞ্চাদশ অধ্যায় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য হওয়া উচিত নয়।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস.কে. সুর চৌধুরী বলেন, এবিবি আমাদের কাছে এই ফান্ডের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। আমরাও মনে করি এটি অযৌক্তিকতা। এ নিয়ে আমরা অর্থমন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে। অর্থমন্ত্রণালয় আমাদের সাথে একমত পোষণ করেছে। আশা করি, শ্রম মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা করে এর একটি সুরাহা হবে।

এবিবির সভাপতি আনিস এ খান বলেন, ব্যাংকগুলো পরিচালিত হয় ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী। ফলে আমরা মনে করি এই ফান্ড গঠন শ্রম আইনের সাথে সাংঘর্ষিক। এর সুরাহা করতে আমরা বাংলাদেশ ব্যাংক , অর্থমন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে। আশা করি এর ইতিবাচক ফল আসবে।

অর্থসূচক/আমজাদ/শাহীন