৬ বছরে খাদ্যশস্যের উৎপাদন বেড়েছে ৪৫ লাখ টন

অর্থসূচক ডেস্ক

0
107
ছবি সংগৃহীত

গত কয়েক বছরে চাল, গম, ভুট্টাসহ বিভিন্ন খাদ্যশস্যের উৎপাদনে বাংলাদেশ অসাধারণ উন্নতি করেছে। এর মাধ্যমে গত ৬ বছরে দেশ খাদ্যশস্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে।

ছবি সংগৃহীত
ছবি সংগৃহীত

কৃষি মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বাসস জানিয়েছে, গত ২০০৯-১০ অর্থবছরে দেশে খাদ্যশস্যের উৎপাদন ছিল ৩৪৫ দশমিক ৯৬ লাখ টন; যা ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯০ লাখ টনে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই সময়ের মধ্যে চালের উৎপাদন ৩২২ দশমিক ৫৭ লাখ টন থেকে বেড়ে ৩৫০ লাখ টনে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে গমের উৎপাদন ৯ দশমিক ৬৯ লাখ টন থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ লাখ টনে। আর ভুট্টার উৎপাদন ১৩ দশমিক ৭০ লাখ টন থেকে বেড়ে হয়েছে ২৫ লাখ টন।

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমরা খাদ্যশস্যের উৎপাদনে প্রায় স্বয়ংসম্পুর্ণতা অর্জন করেছি। গত এক দশকে সবজির উৎপাদন ৫ শতাংশ হারে বাড়ছে। এ ধারা অব্যহত থাকলে সবজি উৎপাদনে ১০ বছরের মধ্যেই স্বনির্ভরতা অর্জন করতে পারবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের কৃষি খাতে নানা সমস্যা থাকলেও বৈশ্বিক শস্য উৎপাদনের হার অনুযায়ী আমাদের প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশ।

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের মহাপরিচালক হামিদুর রহমান বলেন, নীতিগত সহায়তা, কৃষকদের মাঝে কৃষি উপকরণের সরবরাহ এবং কৃষি ঋণ খাদ্যশস্যের ফলন বাড়াতে সহায়তা করেছে। বিভিন্ন শস্যের নতুন জাতের উদ্ভাবন এবং নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার খাদ্যশস্যের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশ এগ্রিকালচার রিসার্স কাউন্সিল (বিএআরসি) এর সাবেক সদস্য ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, শুধুমাত্র খাদ্যশস্য নয়, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য উৎপাদনের ক্ষেত্রেও ২০০৯-১০, ২০১০-১১, ২০১১-১২ বছরে গড়ে ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মূল্য ও ভর্তুকি সহায়তা খামারের উৎপাদনে পরিবর্তন আনতে সাহায্য করেছে।

খাদ্যশস্যের এই উৎপাদনের হার ধরে রাখতে জাতীয় বাজেটের সঙ্গে আনুপতিক হারে কৃষি খাতেও বাজেট বাড়ানো উচিত বলে কৃষিবিদরা মনে করেন।