বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ইতিবাচক: মজিনা

0
81
ড্যান ডব্লিউ মজিনা

ড্যান ডব্লিউ মজিনাবর্তমানে বাংলাদেশর অর্থনৈতিক অগ্রগতি ইতিবাচক ধারায় চলছে। এদেশ অর্থনৈতিক ভাবে আরও শক্তিশালী করতে শিক্ষাখাতের উন্নয়নসহ কিছু খাতে উন্নয়ন ঘটাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজিনা।

মঙ্গলবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে সেন্টার ফর নন-রেসিডেন্স বাংলাদেশের  উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানে এনআরবি ট্যালেন্ট, রেমিটেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ফর ডেভলপমেন্ট’  শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মজিনা বলেন, এই দেশের মানুষ পরিশ্রমী, সৃজনশীল এখানে প্রচুর উদ্যোক্তা রয়েছে। এরা আগামিতে অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে। এক দশকের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে পরিণত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ইতোমধ্যে কৃষি বিপ্লবের মাধ্যমে খাদ্যে স্বংয়ম্পূর্ণ হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে সম্ভাবনা প্রচুর রয়েছে তবে এক্ষেত্রে বাধাও কম নয়। এদেশ থেকে প্রতিবছর বিপুল সংখ্যাক লোক বিদেশে যাচ্ছে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। তবে দক্ষ শ্রমিক এবং আইনি দুর্বলতার কারণে তা কিছুটা বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ভৌগলিক অবস্থানের দিক থেকে বাংলাদেশ অনেক সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। এদেশ ভারত, ভূটান ও নেপালের সাথে সংযুক্ত। বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিতে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। মানসম্মত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, বন্দর, সড়ক, রেলওয়ে ও বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে হবে। আর বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে দুর্নীতি ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমাতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারলে বাংলাদেশ আগামি ২০২১ সালের মধ্যে সোনার বাংলাদেশে পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম হানা বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে ইউরোপিয় ইউনিয়ন বাংলাদেশকে যেভাবে সাহায্য করে আসছে এবং আগামিতেও তা অব্যহত থাকবে।

বাংলাদেশ থেকে দিন দিন রপ্তানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু দেশের ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার আরও বাড়াতে হবে।

সেন্টার ফর এনআরবির চেয়ারম্যন এম এস সেকিল চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান, সাবেক গভর্নর ড. ফরাস উদ্দিন, এফবিসিসিআই এর সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক  ডেপুটি গভর্নর খন্দকার ইব্রাহিম খালিদসহ অনেকে।

এএসই/