‘খাদ্য অধিদপ্তরের সব কার্যক্রম হবে অনলাইনে’

প্রতিনিধি

0
63
খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম।

দেশের খাদ্য অধিদপ্তরের জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন পর্যায়ে খাদ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ করাসহ সব তথ্য অনলাইনের মাধ্যমে পাওয়া যাবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের অংশ হিসেবে অনলাইন সিস্টেমে খাদ্য অধিদপ্তরের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে সরকার। এ কার্যক্রম আগামী বছরের মার্চ-এপ্রিলের মধ্যে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে আমন চাল সংগ্রহ, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি বিষয়ে খাদ্য বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. কামরুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, খাদ্য অধিদপ্তরের সব কার্যক্রম অনলাইন সিস্টেমে হলে ইউনিয়ন পর্যায়েও অনলাইনের মাধ্যমে সব তথ্য-উপাত্ত জানতে পারবে সাধারণ মানুষ। আর ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দেশের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত দেশের সব ডিলার ও কার্ডধারীদের নামের তালিকাও সংযুক্ত করা হবে। এতে ঢাকায় থেকেও যেকোনো এলাকার মানুষের তালিকা তদারকি করতে পারবে মন্ত্রণালয়।

খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম।
খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম।

মো. কামরুল ইসলাম বলেন, দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। দেশের সম্বলহীন ৫০ লাখ পরিবারের কাছে ১০ টাকা কেজিতে চাল বিক্রি করছে সরকার। এই কর্মসূচিকে বির্তকিত করার অপরাধে ইতোমধ্যে ১৩০ জনের ডিলারশিপ বাতিল ও ৩৭টি মামলা হয়েছে। এছাড়া ২ লাখ ১৮ হাজার কার্ড বাতিল এবং ১০ লাখ টাকার বেশি জরিমানা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এবার ৩ লাখ মেট্রিক টন আমন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। সে অনুযায়ী চুক্তিও করেছে। চুক্তি অনুসারে চাল সংগ্রহ করতে কাজ করছে সরকার।

মন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে বর্তমান সরকার গঠনের পর থেকে ২০/২২ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য মজুত থাকে। আগে ৭ কোটি মানুষের জন্য বিদেশ থেকে চাল আমদানি করা হত। বর্তমানে আমাদের খাদ্যে ঘাটতি নেই। বরং খাদ্য ঘাটতি মিটিয়ে আমরা শ্রীলঙ্কাতে চাল রপ্তানি করছি। মধ্যপ্রাচ্যে চাল রপ্তানির প্রক্রিয়া চলছে।

খাদ্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, পরিকল্পিতভাবে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সরকার ইতোমধ্যে প্রত্যেক কর্মকর্তার বেতন ভাতা ও চাকরির বয়স বাড়িয়েছে। সেই প্রেক্ষাপট থেকে আপনাদেরও সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা উচিৎ।

খাদ্য বিভাগের আয়োজনে ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বদরুল হাসান, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক সামসুল আরেফিন, আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক আবদুল কাদির, চট্টগ্রাম সাইলো ধরিত্রী কুমার সরকার, চট্টগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. জহিরুল ইসলাম, খাগড়াছড়ি জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আশরাফুল আলম, কক্সবাজার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এস.এম. তাহমিনুল হক প্রমুখ।

অর্থসূচক/দেবব্রত/এমই/