বিদ্যুতের দাম সাড়ে ১৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব

0
40
ছবি: ফাইল ছবি

Rural-electricityগ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম নতুন করে নির্ধারনের প্রস্তাব করেছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। মঙ্গলবার প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কাছে পাঠানো  এক প্রস্তাবে খুচরা পর্যায়ে ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়ানোর কথা বলেছে।

বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র  প্রস্তাবটি বিইআরসির কাছে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি জানিয়েছে বিইআরসি শুনানি শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

উল্লেখ্য বর্তমানে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের গড় দাম ৫ টাকা ৭৫ পয়সা। গ্রাহকের কাছে এই দামে বিদ্যুৎ বিক্রি করে আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে বলে দাবি করে আসছে ৫টি বিতরণ কোম্পানি। তার প্রেক্ষিতে পিডিবিসহ কোম্পানিগুলো বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব পাঠিয়েছে।

বিতরণকারী কোম্পানিগুলো থেকে এর আগে জানানো হয়, তারা পাইকারিপর্যায়ে যে হারে বিদ্যুৎ কিনছে গ্রাহকপর্যায়ে বিক্রি করা হচ্ছে তার চেয়েও কম দামে। এতে পিডিবির মতো এসব বিতরণকারী কোম্পানির লোকসান বেড়ে চলেছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য হয় বিদ্যুতের গ্রাহকপর্যায়ে মূল্য বাড়াতে হবে, অথবা পাইকারিপর্যায়ে বিদ্যুতের দাম কমাতে হবে।

তবে পাইকারিপর্যায়ে বিদ্যুতের দাম কমালে পিডিবির লোকসান আরও বেড়ে যাবে। এ কারণে বিদ্যুতের খুচরা মূল্য বাড়িয়ে লোকসান সমন্বয় করতে হবে বলে কোম্পানিগুলোর তরফ থেকে বলা হয়।

প্রসঙ্গত সর্বশেষ ২০১২ সালের ১ সেপ্টেম্বর দেশে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিলো। সেসময়  সময় দাম বাড়ানো হয় খুচরা ১৫ শতাংশ এবং পাইকারিতে প্রায় ১৭ শতাংশ।

এর আগে ২০১১ সালে ১ ফেব্রুয়ারি পাইকারিপর্যায়ে ১১ শতাংশ এবং খুচরাপর্যায়ে ৫ শতাংশ দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়। ওই বছরের ১ আগস্ট পাইকারিপর্যায়ে কার্যকর হয় ৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ। মাত্র তিন মাসের মাথায় ১ ডিসেম্বর খুচরাপর্যায়ে ১৩ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং পাইকারিপর্যায়ে ১৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ দাম বাড়ানো হয়।

আর এর কাছাকাছি সময়ে ২০১০ সালের ১ মার্চ ৬ দশমিক ৭ শতাংশ দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়।