‘দেশে কুইক রেন্টালের নামে কুইক লুটপাটের চেষ্টা চলছে’

0
41
CPD

CPDসরকার দেশে কুইক রেন্টালের নামে কুইক লুটপাটের চেষ্টা করছে। এটা কোনোভাবেই করতে দেওয়া হবে না বলে সরকারকে হুঁশিয়ারী প্রদান করেছেন বাংলাদেশ কম্যুউনিষ্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। সোমবার বিকেলে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে প্রেসক্লাবের সামনে সিপিবি-বাসদ আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ হুঁশিয়ারী প্রদান করেন।

সেলিম বলেন, সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা শুরু করেছে। কুইক রেন্টাল হলো আপদকালীন সমাধান। এটি দিয়ে কোনোভাবেই বিদ্যুতের স্থায়ী সমাধান হতে পারে না।

কুইক রেন্টালের মাধ্যমে বিদেশি প্রভুদের সেবা দেওয়াই হলো মূল উদ্দেশ্য এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, এই সরকার বিদেশি প্রভুদের সেবা করার জন্যই জনগণের পকেট কেটে কুইক রেন্টালের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করতে চায়।

সরকার দেশ বিরোধী চক্রান্তে লিপ্ত হচ্ছে উল্লেখ করে এই নেতা বলেন, সরকারের এসব অপনীতির বিরুদ্ধে এখনি সোচ্চার না হলে ভবিষ্যতে দেশের জনগণকে চরমমূল্য দিতে হবে।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, সরকারের এই জনবিরোধী নীতি নিয়ে বিএনপির কোনো কথা নেই। তারা আছে শুধু ক্ষমতায় না যেতে পারার দু:খ নিয়ে। তারা দেশের স্বার্থে কথা বলছে না। এ সময় বিদ্যুতের দাম না বাড়ানোর জন্য আন্দোলনে আসতে সকলকে আহ্বান জানান তিনি।

বাসদের সাধারণ-সম্পাদক খালেকুজ্জামান বলেন, সরকার গত পাঁচ বছরে ছয়বার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। পুনরায় ক্ষমতায় আসার দুই মাস না যেতেই আবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করা হচ্ছে।

বিদ্যূৎ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, ভারতের বহু রাজ্যে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম তিন টাকারও কম। অথচ বাংলাদেশে জনগণকে প্রতি ইউনিটের জন্য দিতে হয় পাঁচ টাকা।

বিদ্যুতের দাম বাড়লে শিল্প ও কৃষি খাত ক্ষতিগ্রস্থ হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিদ্যুতের দাম বাড়লে কৃষি চাষাবাদের ব্যয় বেড়ে যাবে ও শিল্পপণ্যের দাম বেড়ে যাবে। মূলত ক্ষতিগ্রস্থ হবে কৃষক ও শিল্প উদ্যোক্তরা।

এ সময় অবিলম্বে এই সমাবেশ থেকে জনবিরোধী নীতি হতে সরকারকে সরে আসার আহ্বান জানানো হয়।

সমাবেশ শেষে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে পল্টন এলাকা প্রদক্ষিণ করেন।

বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, সিপিবির সাধারণ-সম্পাদক সৈয়দ আবু জাফর, কেন্দ্রীয় নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাসদের নেতা বজলুর রশিদ প্রমুখ।

জেইউ