‘এক চীন নীতি নিয়ে বাণিজ্য হতে পারে না’

অর্থসূচক ডেস্ক

0
60

যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘এক চীন নীতি’ নিয়ে যে প্রশ্ন তুলেছেন- তাতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জেং সুয়াং এক বিবৃতিতে জানান, ‘এক চীন নীতি’ চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের ভিত্তি। এই নীতি নিয়ে বাণিজ্য হতে পারে না।

সম্প্রতি তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েনের সঙ্গে ফোনে কথা হয় ডোনাল্ড ট্রাম্পের। এসময় চীনের বিভিন্ন নীতি এবং দক্ষিণ চীন সাগরে দেশটির সামরিক উপস্থিতি নিয়ে সমালোচনা করেন তিনি।

মার্কিন হবু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
মার্কিন হবু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

চীনের সমালোচনার বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প ফক্স নিউজকে বলেন, এক চীন নীতি মানতে যুক্তরাষ্ট্রের বাধ্য থাকা উচিত নয়। তিনি তাইওয়ানের কোনো নেতার সঙ্গে ফোনে কথা বলবেন কি না, তাও চীন ঠিক করে দিতে পারে না। চীনের কাছ থেকে কোনো ধরনের বাণিজ্যিক ছাড় না পেলে এ নীতির গ্রহণযোগ্যতা নেই।

এ ঘটনার পরই চীনের পক্ষ থেকে নতুন প্রতিক্রিয়া জানানো হলো।

চীন মনে করে, তাইওয়ান বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া একটি প্রদেশ। তাদের নীতিমালায় তাইওয়ান এখনো চীনের মুল ভূখণ্ডেরই অংশ।

‘এক চীন নীতি’র মাধ্যমে ১৯৭৯ সাল থেকে তাইওয়ান বিষয়ে দেশটির অবস্থানের প্রতি সম্মান দেখিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। ওই সময়ের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাইওয়ানের নতুন করে কোনো সম্পর্ক তৈরি হয়নি।

জেং সুয়াং বলেন, ‘এক চীন নীতি’ চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভিত্তি। এ ভিত্তি যদি ধ্বংস হয়ে যায়, তবে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে সুসম্পর্ক ছিল, তা থাকবে না; যেটা অকল্পনীয়।তাই তাইওয়ান বিষয়টি নিয়ে আসন্ন মার্কিন প্রশাসনকে আরও একবার ভাবতে হবে।

‘এক চীন নীতি’ নিয়ে কোনো বাণিজ্য হতে পারে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, চীন ট্রাম্পকে এ নিয়ে কড়া জবাব দেবে। বিবৃতিতে জেং সুয়াং বলেন, ট্রাম্প একজন ব্যবসায়ী হতে পারেন। তবে কুটনীতির মাঠে তিনি এখনো শিশু।

সূত্র: বিবিসি ও রয়টার্স