ক্রিমিয়াকে কেন্দ্র করে অস্থিতিশীল বিশ্ব রাজনীতি-অর্থনীতি

0
30
ukraine-crisis-hit-economy

ukraine-crisis-hit-economyইউক্রেনে রাশিয়ার সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপকে কেন্দ্র করে সরগরম হয়ে উঠেছে বিশ্ব রাজনীতি। পাশপাশি অস্থিতিশীলতার দিকে মোড় নিচ্ছে অর্থনৈতিক পরিস্থতিও। ক্রিমিয়ায় রাশিয়ান সেনাদের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে সপ্তাহের প্রথম কার্য দিবসে বিশ্বের বিভিন্ন পুঁজি বাজারে শেয়ারের দর অনাকাঙ্খিতভাবেই মোড় নিয়েছে নিচের দিকে এবং বেড়ে চলেছে স্বর্ণ এবং তেলের দাম। খবর রয়টার্স বার্তা সংস্থার।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের রাশিয়াপন্থী সাবেক প্রেসিডেন্ট ভিক্টর ইয়ানুকোভিচের পতনের পর ঘটনার শুরু। পরবর্তীতে দেশটির ক্রিমিয়া প্রদেশের রাজধানী সিম্পেরোফলে অস্ত্রধারীদের উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও ঘনীভূত করে তোলে এবং এর কারণ হিসেবে রাশিয়াকে দায়ী করে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো।

রাশিয়ার পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হলেও ইউক্রেনে সামরিক হস্তক্ষেপ অন্যায্য নয় বলে আখ্যায়িত করে সামরিক বাহিনীকে সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেয়ার পর পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে। এরই প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জি-৭ রাশিয়ার উপর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপের হুমকি দিলে বিশ্ব অর্থনীতি অস্থিতিশীল হতে শুরু করে।

সোমবার রাশিয়ার পুঁজিবাজারে সার্বিক সূচকের ৯ শতাংশ দরপতন ঘটেছে। এছাড়াও চীন, জার্মানি এবং জাপানের শেয়ার বাজারেও অনাকাঙ্খিত দরপতন ঘটেছে।

এছাড়াও মুদ্রা বাজারে রুবলের দাম কমেছে প্রায় ২ শতাংশ। পাশাপাশি মার্কিন ডলারের বিপরীতে কমেছে ইউরোর দাম কমেছে প্রায় দশমিক ২ শতাংশ।

ওইদিন ইউরোপের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সোমবার ব্যারেল প্রতি ব্রেন্ট তেল ১১১ দশমিক ৪১ ডলারে বেচা-কেনা হয়েছে, যা গত দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। পাশাপাশি বেড়েছে ইউএস ফিউচার ক্রুডের দাম।

এছাড়াও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ১৩৫০ ডলারে ঠেকেছে, যা বিগত চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

অর্থনীতিবিদদের আশংকা, ইউক্রেন সমস্যা নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার সাথে সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারলে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটতে পারে।