পুন:অর্থায়ন: ঋণের টাকা উত্তোলনের শর্ত শিথিল হচ্ছে

0
28

DSE-fireপুঁজিবাজারের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের পুন:অর্থায়ন সুবিধার ঋণে টাকা তোলার জন্য শর্ত শিথিল করা হচ্ছে। এ বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামি দুই তিন দিনের মধ্যে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জানা গেছে, ঋণ পাওয়ার জন্য বিনিয়োগকারীর ব্যাক্তিগত গ্যারান্টিসহ কয়েকটি শর্ত উঠিয়ে নেওয়া হবে। বিষয়টি চূড়ান্ত করতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি)একজন কমিশনারকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি সোম/মঙ্গলবারের মধ্যে অর্থমন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করে সিদ্ধান্ত নেবে।

রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এ কথা বলেন।

জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের পুন:অর্থায়ন সুবিধার ঋণ পেতে হলে-বিনিয়োগকারীদের ব্যক্তিগত গ্যারান্টি,ঋণের জামানত হিসাবে সংশ্লিষ্ট মার্চেন্ট ব্যাংক বা স্টক-ব্রোকারকে করপোরেট গ্যারান্টি প্রদান,ঋণ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সংশ্লিষ্টদের জরিমানা করতে পারবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের (মার্চেন্ট ব্যাংক/ স্টক ব্রোকার) নিবন্ধন বাতিল করতে পারবে। আর এ সব শর্ত জুডে দেওয়া হয়েছিল ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) পক্ষ থেকে। টাকা ফেরত পাওয়া নিশ্চিত করতে না পারে তার জন্য এ শর্ত দেওয়া হয়েছিল।

এদিকে, এতো বেশি শর্ত থাকায় এ টাকা নিতে অনীহা দেখা দেয় বিনিয়োগকারীদের মাঝে। যার ফলশ্রুতিতে মার্চন্ট ব্যাংক ও শীর্ষ ব্রোকারেজ হাউজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন পুন:অর্থায়ন কমিটি। ওই বৈঠকে উঠে আসে কেন বিনিয়োগকারীরা আগ্রহী হচ্ছে না। এর পরও শর্ত শিথিল না করে আবেদনে কয়েক দফা আবেদনের সময় বাড়ান পুন:অর্থায়ন তদারকি কমিটি। ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা যাতে টাকা নিতে আগ্রহী হয় এ জন্য আজকের সমন্বয় বৈঠকে শর্ত শিথিল করার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়।

উল্লেখ, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি পুষিয়ে উঠার জন্য সকারের পক্ষ থেকে নয়’শ কোটি টাকার পুন:অর্থায়ন তহবিল ঘোষণা করা হয়েছ। ইতোমধ্যে তার প্রথম কিস্তির তিনশো কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে। এ তহবিল থেকে সংশ্লিষ্ট মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারহাউজকে ঋণ দেওয়া হবে। এর বিপরীতে তারা ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের ২০১১ সালের মার্জিন ঋণের সুদের অর্ধেক মওকুফ করবে। বাকী সুদসহ আসলকে একটি ব্লক হিসাবে রেখে তিন বছরে ত্রৈমাসিক কিস্তিতে পরিশোধ করার সুযোগ দেওয়া হবে। যেসব বিনিয়োগকারীর নিজস্ব মূলধন ছিল সর্বোচ্চ দশ লাখ টাকা শুধু তারাই এ সুবিধা পাবেন।

জি ইউ