নাগরিক ও কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার

0
87
shadhinota prize

Sadginotaসমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসমান্য অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে এ বছর দেশের নয় বিশিষ্ট নাগরিক ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটকে স্বাধীনতা পুরস্কার দিচ্ছে সরকার।

রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বছরের পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামি ২৫ মার্চ ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মনোনীতদের মধ্যে স্বাধীনতা পদক বিতরণ করবেন।

সাবেক গণপরিষদ সদস্য মোহাম্মদ আবুল খায়ের এবার মরনোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। ১৯৭১ সালে তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ রেকর্ড ও সংরক্ষণ করেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় কুমিল্লার পুলিশ সুপারের দাযিত্বে থাকা মুন্সি কবির উদ্দিন আহমেদ ও পাচ্ছেন মরনোত্তর স্বাধীনতা পদক। ১৯৭১ সালে তিনি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় সেননিবাসের ব্রিগেড কমান্ডারের হাতে জেলা পুলিশের অস্ত্রভাণ্ডারের চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানান। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে বন্দি অবস্থায় শহীদ হন তিনি।
একাত্তরে বরিশালের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসাবে দায়িত্ব পালন করা শহীদ কাজী আজিজুল ইসলাম মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন। দায়িত্ব থাকা অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় সহায়তা দেওয়ায় তাকে এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আবু ওসমান চৌধুরী, খসুরুজ্জামান চৌধুরী, শহীদ এস বি এম মিজানুর রহমান ও মোহাম্মদ হারিছ আলী।

স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিভাগের এম এন এ ইনচার্জ হিসাবে দায়িত্বপালনকারী ভাষা সৈনিক অধ্যক্ষ মো. কামরুজ্জামানকে দেওয়া হচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার।

যিনি মুক্তিযুদ্ধসহ সব গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনেই ছিলেন সক্রিয় থাকার স্বীকৃতি হিসেবে শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী স্বাধীনতা পদক পাচ্ছে। ।

আর কৃষি-গবেষণা ও উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এবার ‘গবেষণা ও প্রশিক্ষণ’ ক্ষেত্রে স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছে।

স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদক। ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস সামনে রেখে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এ পদক দেয়া হয়।

এ পুরস্কারের জন্য মনোনীতরা একটি করে সোনার পদক এবং একটি সম্মাননাসূচক প্রত্যয়নপত্র পান। এর সঙ্গে নগদ পুরস্কার হিসাবে তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে দেয়া হয়।