উপজেলা নির্বাচন শেষ হলেই আন্দোলন: খালেদা

0
53
khaleda

khaledaবিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া রাজবাড়ির জনসভায় বলেন,  উপজেলা নির্বাচন শেষ হলেই সরকার পতন আন্দোলনে নামবে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৯ দলীয় ঐক্যজোট।

এ সময় তিনি বলেন, এই ম্যাচ পাতানো অবৈধ সরকার দেশের ব্যাংকের টাকা, ডেসটিনির টাকা, শেয়ারবাজারের টাকা, গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির টাকাসহ বিভিন্ন অর্থনীতি লুট করেছে।

শনিবার বিকেলে রাজবাড়ির শহীদ আব্দুল আজিজ খুশি রেলওয়ের ময়দানে ১৯ দলীয় ঐক্যজোট আয়োজিত এক জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

এ সময় গত ৫ জানুয়ারির প্রহসনের নির্বাচন বাতিল, ১৯ দলীয় নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা, মামলা, হত্যা-গুম বন্ধ, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, এবং অনতিবিলম্বে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেওয়ার আহ্বান জানান।

খালেদা জিয়া বলেন, ৫ জানুয়ারি দেশে কোনো নির্বাচন হয় নাই। এটা ভুয়া নির্বাচন, ম্যাচ পাতানো। তাই এই সরকারকে যেকোনো প্রকারে হোক গদি থেকে নামাতে হবে। এই অবৈধ সরকারকে হটাতে হলে আপনাদেরকে একসাথে আন্দোলন করতে হবে। এই সরকার গণতন্ত্র বিশ্বাস করে না। সরকার দেশে একদলীয় শাসন ব্যাবস্থা কায়েম করতে চায়। উপজেলা নির্বাচন শেষ হলেই আমরা আন্দোলনে নামবো, এ সরকারকে বিদায় করে ১৯ দলীয় জোট ক্ষমতায় আসবে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর গত তিনমাসে ২৫শে জানুয়ারি থেকে ২৫শে অক্টোবর পর্যন্ত মোট ৩০৪ জনকে পুলিশ গুলি করে হত্যা করেছে। গুম করা হয়েছে আরও অসংখ্য মানুষকে। এছাড়া তারা অসংখ্য বিডিয়ার কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে। আওয়ামী লীগ রক্তপিপাসু একটি দল।

আওয়ামী লীগ সরকারকে সরাতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি প্রথমেই উপস্থিত জনসাধারণকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। এর আগে বেশ কয়েকবার সময় দিয়েও আসতে না পেরে দু:খ প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি আর ও বলেন, এই আওয়ামী লীগ জঙ্গির চেয়েও খারাপ, এরা আসলে মানুষেরই জাত না। এরা রক্তচোষো। এরা দুর্নীতিবাজ, এরা মানুষ হত্যাকারী। এদেরকে বর্তমান প্রজন্ম বিশ্বাস করে না।

তিনি বলেন, এখন দেশের বিভিন্ন জায়গায় নিয়োগের ক্ষেত্রে দলীয়করণ চলছে। যার কারণে মেধাবী ছাত্ররা যোগ্যতা থাকা সত্তেও চাকরি পাচ্ছে না।  আমরা আগে বলেছি এখনো বলছি আমরা ক্ষমতায় দলমত নির্বশেষে যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি দেবো।

জেলা বিএনপির সভাপতি আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মের সভাপতিত্বে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সাদেক খোকা, মির্জা আব্বাস, কর্নেল(অব.) অলি আহমেদ, আন্দালির রহমান পার্থ, কাজী জাফর আহমেদসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় ও ১৯ দলের নেতৃবৃন্দ।