মেলার জনসংযোগ বিভাগ কাজের ক্ষেত্রে আন্তরিক ছিল

0
107
বইমেলা book fair

বইমেলা book fairঅমর একুশে গ্রন্থমেলায় বিভিন্ন গণমাধ্যমকে সব সময় যারা তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করে আসছেন তারা হল বাংলা একাডেমির জনসংযোগ ও সমন্বয় বিভাগ। একঝাঁক তরুণ সহকর্মীদের নিয়ে এখানে কাজ করেন এ বিভাগের প্রধান মুর্শিদ আনোয়ার। সাংবাদিকদের সব সময় এটা লাগবে, সেটা লাগবে, এটা নেই কেন? সেটা নেই কেন? এরকম নানা প্রশ্নে বিরক্ত না হয়ে সব সময় তাদের সহযোগীতা করেছে এ বিভাগ।

তিনি মুর্শিদ আনোয়ার যিনি সব সময় ঘুরে ঘুরে সাংবাদিকদের খবর নেন। কার কি লাগবে, সবাইকে চা খাওয়ানো হয়েছে কিনা। মোট কথা সাংবাদিকদের কোন কিছু লাগবে বলে মুখ থেকে বের করার সাথে সাথে সেটা দিয়ে দিয়েছেন তিনি ও তার বিভাগ লোকজন।

এই জনসংযোগ ও সমন্বয় বিভাগে রয়েছেন এ বিভাগের প্রধান মুর্শিদ আনোয়ার, পিয়াস মজিদ, ফরিদুল হক, শরিফুল ইসলাম, সাইদুল হক, কাওছার ও বুলবুল আহমেদ। এই তরুণেরা সব সময় গণমাধ্যমের নানা প্রয়োজন মিটিয়েছেন।

এ বিভাগ থেকে প্রতিদিনের বুক লিষ্ট, প্রেসরিলিজ, প্রতিদিনের বাংলা একাডেমির  বিক্রির হিসাব, বাংলা একাডেমির প্রতিদিনের ও সপ্তাহের মোট বিষয় ভিত্তিক নতুন প্রকাশিত বইয়ের তালিকা, গতবছরের বিভিন্ন ডকুমেন্টসহ নানা তথ্য জনসংযোগ ও সমন্বয় বিভাগ সরবরাহ করে থাকে।

বাংলা একাডেমির পরিচালক এবং জনসংযোগ ও সমন্বয় বিভাগের প্রধান মুর্শিদ আনোয়ার বলেন, বাংলা ও বাঙালীর প্রাণের মেলায় এ বিভাগে কাজ করতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করি। যাঁরা বাংলার জন্য জীবন দিয়েছিল তাদের স্মৃতির উপর দাঁড়িয়ে থাকা বাংলা একাডেমি। আর আমি সেই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকায় গর্বিত।

তিনি বলেন, আমি ও আমার সহকর্মীরা সাধ্যমত চেষ্টা করেছি গণমাধ্যমকে সহযোগীতা করার জন্য। সব সময় চেয়েছি তারা যেন কোন তথ্য পেতে হয়রানির শিকার না হন। এ জন্য আমার বিভাগের সবাইকে বলে দিয়েছি। সবচেয়ে বড় কথা হল আমরা সবাই আমাদের কাজের ক্ষেত্রে খুবই আন্তরিক থাকবো।

এবারের মেলায় ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতার চেতনায় সমন্বিত হয়ে সোহরাওয়ার্দীতে হওয়ায় মেলা যেন এক নতুন মাত্রা পেয়েছে বলেও জানান এই পরিচালক।

জনসংযোগ ও সমন্বয় বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা বলেছেন, আমরা এ বিভাগের সবাই মিলে মিশে কাজ করি। আমরা একে অপরের পরিপূরক।

এসএস/সাকি