জয়ের “ফেসবুকে প্রকাশিত ভাবনা বাংলাদেশ নিয়ে” বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

0
131
sajib

sajibজাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের দৌহিত্র ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজিদ জয়ের “ফেসবুকে প্রকাশিত ভাবনা বাংলাদেশ নিয়ে” বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।

বাংলা একাডেমির মোদের গরব ভাষা চত্ত্বরে এই বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আ আ স ম আরেফিন সিদ্দিকী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু ও দৈনিক সমকালের সম্পাদক গোলাম সারোয়ার।

এই বইটি উৎসর্গ করা হয়েছে বাংলাদেশের তরুন প্রজন্মকে। বইয়ের মোড়কে প্রথমে লেখকের পরিচয় দেওয়া হয়েছে সজীব ওয়াজেদের জন্ম ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে। তথ্য প্রযুক্তিবিদ সজীব বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রচারে সক্রীয় রয়েছেন গত বেশ কিছু দিন। বইটি প্রকাশ করেছে আমার প্রকাশনী। বইয়ের প্রচ্ছদ করেছে তাপস সরকার।

মোড়ক উন্মোচনকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আ আ স ম আরেফিন সিদ্দিকী বলেন, ১৯৭৫ সালে সজীব ওয়াজেদ জয় খুব কম হলেও এই বইটিতে সে সময়কার কথাও তুলে ধরেছেন। তার লেখা এই বইটি তরুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।

দৈনিক সমকালের সম্পাদক গোলাম সারোয়ার বলেন, সজীব ওয়াজেদ জয় প্রচুর বই পড়েন যেভাবে তার মা প্রচুর বই পড়েন। সে তার মায়ের মত দেশকে নিয়ে অনেক ভাবেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে জয় এক স্বপ্নের দূতের নাম। আমরা আশা করি জয় তার খুরধারা লেখনি ধারা অব্যহত রাখরে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেন, বর্তমান যুগে তরুণ প্রজন্ম রাজনীতিতে আসতে চায় না তাদের জন্য জয় একটা মডেল। জয়ের মত করে সব তরুণ প্রজন্মকে অসাম্প্রদায়িক দেশ নির্মাণে এগিয়ে আসতে হবে।

বইটির সম্পাদক সুশান্ত দাস গুপ্ত বলেন, সাদা মাটা মলাটের এই বইয়ের বক্তব্য বাংরাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়নে তরুণদের দিক নির্দেশনা দিবে। এই বইয়ে ব্যক্তি জয়ের অনেক ভাবনা একসাথে পাওয়া যাবে।

বইটির ভুমিকায় যা লেখা হয়েছে:

সংকলিত গ্রন্থটির প্রথমেই “কেন আমি ফেইসবুকে”  শিরোনামে ভূমিকায় জয় লিখেছেন, আমি তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের সাথে সংযুক্ত হওয়ার জন্য একটি পদ্ধতি হিসেবে ফেইসবুক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করতে চেয়েছিলাম। তরুণরা তাদের অধিকাংশই অনলাইনের বিভিন্ন উৎস যেমন ফেইসবুক হতে পায়।

আমি মনে করি অনলাইনের রাজনৈতিক কার্যক্রম দলের সমর্থকদের ভিত্তি সুদৃঢ় করতে পারে। আমি দেখলাম তরুণদের বড় একটি অংশ রাজনীতিতে সংশিষ্ট হতে আগ্রহী, কিন্তু তারা গতানুগতিক ছাত্ররাজনীতিতে জড়াতে চায় না এবং সমাবেশ মিছিলও করতে চায় না।

রাজধানীর বাইরে স্থানীয় কমিটির জন্য স্যোশাল মিডিয়া আমাদের বার্তা প্রচারে একটি অসাধারণ মাদ্যমে পরিণত হয়েছে।

আজকালের দিনে পৃথিবীব্যাপী সেলিব্রিটি এবং রাজনীতিবীদেরা ফেইসবুক পেইজ এবং তাদের টুইটারের মাধ্রমে বিবৃতি পোস্ট করছেন, যা মূল ধারার সংবাদ মাধ্যমগুলো লুফে নিচ্ছে। এটা বিশ্বের একটি প্রবণতা হয়ে উঠেছে। এটা আমাদের এবং সংবাদমাধ্যমের অনেক অনেক সময় ও শ্রম বাঁচিয়ে দিচ্ছে যাতে প্রতিদিনকার ইস্যুর জন্য আমার প্রেস কনফারেন্স আয়োজন করা বা প্রেসরিলিজ দেয়ার কোনো প্রয়োজন হচ্ছে না। সংবাদ কর্মীদের আমার বক্তব্য ধারণের জন্য সময় নিয়ে পার্টি অফিসে আসতে হচ্ছে না।

ফেইসবুক পেইজে আমি নেতিবাচক মন্তব্যও পেয়ে থাকি। তবে নেতিবাচক সমালোচনা আমাকে বিরক্ত করে না। এবং আমার নীতিকে সেসব সেন্সর করা হয় না। আমি যদিও কিছু অবমাননাকর মন্তব্য বা আমার ও পরিবারের বিপক্ষে মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা হলে তা সেন্সর করি।

যেসব তরুণ রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় নয় তারা ফেনপেইজের মাধ্যমে আমার মতো ভভিষ্যৎ নেতৃত্বের কাছে আসার অবারিত সুযোগ পাচ্ছে বলে আমি আশা করি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে পেইজটির বিপুল জনপ্রিয়তার কারণে এই যোগাযোগ একমূখী হয়ে যাচ্ছে।

তরুণদের জন্য আমি নতুন কিছু ধারণা নিয়ে চিন্তা করছি, কিন্তু এখনি কোনো একটি নির্দিষ্ট হয়নি। নির্বাচন এক-দেড়মাস হলো শেষ হয়েছে,  আগামী পাঁচবছর নিয়ে পরিকল্পনা করা সময় আমি এখনও করে উঠতে পারিনি।

বইটিতে গত বছরের ২ আগস্ট থেকে চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে জয়ের পোস্ট করা বক্তব্য, ছবি তুলে ধরা হয়েছে।