অ্যালায়েন্সের হয়ে কারখানা পরিদর্শন করবে দেশীয় ৭ প্রতিষ্ঠান

0
30

BGMEA_Allainceইউরোপীয় ক্রেতাদের পোশাক সরবরাহকারী কারখানাগুলোর মান যাচাইয়ে দেশীয় ৭ প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান ইউরোপীয় ক্রেতাদের ফোরাম অ্যালায়েন্স ফর ওয়ার্কার্স সেফটি ইন বাংলাদেশের হয়ে তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে।

তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলাম বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছেন। প্রতিষ্ঠানগুলো চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই পরিদর্শন শেষ করবে বলেও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বিজিএমইএর নূরুল কাদের মিলনায়তনে পোশাক কারখানার অগ্নি,বিদ্যুৎ ও ভবন নিরাপত্তায় অ্যালায়েন্সের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কথা জানান।

তিনি জানান,অগ্নি,বিদ্যুৎ ও ভবন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উত্তর আমেরিকার ক্রেতা জোট অ্যালায়েন্স ফর ওয়ার্কার্স সেফটি ইন বাংলাদেশ (অ্যালায়েন্স)ইতোমধ্যে ২২২টি কারখানা পরিদর্শন করেছে।তবে তারা আর বাকী কারখানাগুলো পরিদর্শন করতে পারবে না। কারখানা নিয়োজিত পরিদর্শক দলের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠায় এ দায়িত্ব দেশীয় ৭টি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা অ্যালায়েন্সের হয়ে কারখানাগুলো পরিদর্শন করবে বলে জানান তিনি।

পর্যবেক্ষক প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ব্যুরো ভেরিতাস, শহীদুল্লাহ অ্যাসোসিয়েটস, উত্তরণ, এমকে, বিডি টেকনোলজি ও ইআইএমএ। তবে অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের নাম জানা যায়নি।

তিনি আরও জানান,নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যারা আগেভাগে নিরাপদ ফায়ার ডোর কিংবা অন্যান্য সামগ্রী কারখানায় ব্যবহার করেছে তাদের ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হবে বলে জানান তিনি। আর যারা এখন নতুন করে এসব সামগ্রী ব্যবহার করতে চায় তাদের পরীক্ষিত সামগ্রী ব্যবহার করতে হবে বলে জানান তিনি।

আতিকুল ইসলাম বলেন, এর ফলে ক্রেতাদের অঙ্গ প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিদর্শন করার সুযোগ থাকলো না।অঙ্গ প্রতিষ্ঠানগুলোর ইচ্ছামতো পরিদর্শনের কারণে পোশাক মালিকরা যে চাপের মধ্যে পড়েছিলো তা কমেছে বলে জানান তিনি। এর ফলে মালিকরা একটু হাঁফ ছেড়ে বাঁচলো বলে মনে করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন,আমরা পোশাক কারখানার অগ্নি,বিদ্যুৎ ও ভবন নিরাপত্তায় ব্যবহৃত সামগ্রী আমদানির উপর শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছি।আমরা আশা করছি এবারের বাজেটের আগেই পোশাক মালিকরা এই সুবিধা পাবেন বলে মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, শিগগিরইএই সুবিধা না পেলে কারখানা পরিদর্শনে মালিকরা আরও বড় সমস্যার মধ্যে পড়বে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, এই পর্যন্ত যে কারখানা পরিদর্শন হয়েছে তাতে খুব ঝুঁকিপূর্ণ কারখানা পাওয়া যায়নি। আর যে সব কারখানার কাঠামোগত নকশা নেই তাদের প্রাথমিক অবস্থায় ভিজুয়্যাল পরিদর্শন করা হবে বলে জানান তিনি।

শুধু ঝুঁকিপূর্ণ কি না তা দেখা হবে।পরে বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে কাঠামোগত নকশা তৈরির পরে পুরো পরিদর্শন করা হবে বলে জানান তিনি।