বৃত্তিপ্রাপ্তদের টিউশন ফি নিয়ে হাইকোর্টের সুয়োমুটো

নিজস্ব প্রতিবেদক

0
59

প্রাথমিক ও অষ্টম শ্রেণির বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টিউশন ফি আদায় করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না জানতে চেয়ে রুল রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

হাইকোর্ট। ছবি সংগৃহীত
হাইকোর্ট। ছবি সংগৃহীত

আজ সোমবার বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই রুল দেন।

গত ৩ আগস্ট একটি জাতীয় দৈনিকে ‘বৃত্তিপ্রাপ্তদের কাছ থেকেও টিউশন ফি আদায়!’ শীর্ষক শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

বিষয়টি আজ আদালতের নজরে আনেন আইনজীবী মো. আমির হোসেন। শুনানি নিয়ে আদালত রুল দেন।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক ও অষ্টম শ্রেণির পরীক্ষায় বৃত্তি পাবে তাদের কাছ থেকে টিউশন ফি আদায় করা যাবে না—সরকারের এমন কঠোর নির্দেশনা থাকলেও তা মানছে না বেসরকারি নামি স্কুলগুলো। ভর্তি ফি, নিবন্ধন ফি, উন্নয়ন ফি, টিউশন ফিসহ সবধরণের ফি-এর টাকাই বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করছে এসব প্রতিষ্ঠান। ফলে বৃত্তি পাওয়ার মাধ্যমে ততটা আর্থিক সুবিধা পাচ্ছে না স্বীকৃত এসব মেধাবীরা।

 রাজধানীর ভিকারুন-নিসা নূন, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন নামি প্রতিষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের পুরো মাসিক বেতন (টিউশন ফি) দিতে হচ্ছে। রাজধানীর বাইরেও অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই প্রবণতা রয়েছে। রংপুরের পুলিশ লাইনস স্কুলসহ অনেক স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্তদের কাছ থেকে অর্ধেক টিউশন ফি আদায় করা হচ্ছে।

আদালত এ বিষয়ে দুই সপ্তাহের রুল দিয়েছেন জানিয়ে ওই আইনজীবী বলেন, শিক্ষাসচিব, অতিরিক্ত সচিব (টাস্কফোর্স), শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, ঢাকা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাসহ, সংশ্লিষ্ট থানা শিক্ষা কর্মকর্তাকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এসএম