আগামি মাসেও অনিশ্চিত টি প্লাস টু

0
37
dse brocker
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ভবন

dse t+2 settlment cycleবিনিয়োগকারীদের দীর্ঘদিনের দাবি টি প্লাস টু (টি+২) আগামি মাসেও চালু হচ্ছে না ঢাকা স্টক এক্সেচেঞ্জে (ডিএসই)। এ সংক্রান্ত গেজেট পাশে বিলম্বের কারণেই টি+২ চালুও পিছিয়ে যাচ্ছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে ডিএসইর ব্যাবস্থাপনা পরিপচালক স্বপন কুমার বালা অর্থসূচককে বলেন, এতদিন আমরা ডিমিউচুয়ালাইজেশন নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। তাই অন্যদিকে তেমন সময় দেওয়া সম্ভব হয়ে উঠেনি। এখন টি+২ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছি। গেজেট পাশ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে ডিএসইতে লেনদেনের সময়সীমা কমিয়ে আনা হবে।

ডিএসইতে এই পদ্ধতি চালু হলে, বিনিয়োগকারীরা চার দিনের পরিবর্তে তিন দিনে শেয়ার বিক্রির টাকা পাবে। আবার একইভাবে শেয়ার কিনলে তৃতীয় দিনের মাথায় তা বুঝে পাবেন। সেদিন থেকেই এটি বিক্রি উপযোগী থাকবে। বর্তমানে শেয়ার কেনাবেচা করলে টাকা বা শেয়ার বুঝে পেতে চারদিন অপেক্ষা করতে হয়।

একই দেশে দুই স্টক এক্সচেঞ্জে দুই রকম নীতি চলছে বলেও মন্তব্য করেন বিনিয়োগকারীরা। তারা বলেন, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জর (সিএসই) লেনদেনের সময়সীমার সুফল ভোগ করলেও ডিএসইর বিনিয়োগকারীরা বঞ্চিত হচ্ছে।

পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ আবু আহমেদ বলেন, লেনদেনের সময়সীমা চার দিনের পরিবর্তে তিনদিন করা হলে বাজারে কিছু লোক লাভবান হবে। তবে যারা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ করে তাদের জন্য কোন সুফল আসবে না।

তিনি বলেন, ব্রোকারেজ হাউজ এবং ডিএসই সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে। কারণ লেনদেনের সময়সীমা কমে গেলে বাজারে তারল্য প্রবাহ বেড়ে যাবে। ঘন ঘন কেনাবেচা হলে হাউজগুলোর কমিশন বাড়বে।

ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী শামসুল আলম বলেন, আমরা সব সময় টি+২ চালুর পক্ষে। কিন্তু ডিএসইর নানা রকম টালবাহানায় চালু হচ্ছে না টি+২ পদ্ধতি।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩ নভেম্বর চট্রগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) এই পদ্ধতি চালু হয়।

২০১১ সালে বিএসইসি উভয় স্টক এক্সেচেঞ্জে  সেটেলমেন্ট সাইকেল কমানোর প্রস্তাবে অনুমোদন দেয়।