৪৫ লাখ গ্রামীণ দরিদ্র শিশু মাধ্যমিক শিক্ষা পাবে

0
72
Bangladesh-world bank

Bangladesh-world bankমাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ২ হাজার ১২০ কোটি টাকার ঋণ সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক। এ লক্ষ্যে সরকারের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে বিশ্বব্যাংক। এ চুক্তির ফলে প্রতি বছর ২১৫টি উপজেলায় ৪৫ লাখ গ্রামীণ দরিদ্র শিশু মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষা লাভের সুযোগ পাবে।

বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর জোহেন্স জাট স্বাক্ষর করেন।

ঋণটি ১০ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ মোট ৪০ বছরে পরিশোধ করা যাবে। এ ক্ষেত্রে বার্ষিক সার্ভিস চার্জ দিতে হবে শতকরা শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ এবং কমিটমেন্ট চার্জ প্রযোজ্য হবে না।

এ প্রকল্পের মাধ্যমে দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান করা হবে, মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার মানোন্নয়ন, অতি দরিদ্র শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় অংশগ্রহণ বাড়ানো, শিক্ষা প্রদান প্রক্রিয়ার ফলাফলের মূল্যায়ন, পাঠ্যসূচির বাইরে উপযোগী শিক্ষার পাঠ্যাভ্যাস করানো হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তর। এর বাস্তবায়ন সময়সীমা জুলাই ২০০৮ থেকে জুন ২০১৪ নাগাত থাকলেও অতিরিক্ত অর্থায়নের কারণে এর সময়সীমা ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

মাধ্যমিক শিক্ষার এ প্রকল্পের আওতায় অতিরিক্ত অর্থায়ন বিষয়ে ২০১৩ সালের ২৯ অক্টোবর বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ঢাকায় ঋণের ব্যাপারে নেগোসিয়েশন হয়।

জানা যায়, প্রকল্পটি মোট এক হাজার ১৮১ কোটি ৭৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা ব্যয়ে ২০০৮ সালের জুন থেকে ২০১৪ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য ২০০৮ সালে একনেকে অনুমোদন দেওয়া হয়। এ সময় বিশ্বব্যাংকের ঋণ ছিল প্রায় এক হাজার ৯৬ কোটি টাকা। পরবর্তী সময়ে ব্যয় বেড়ে গেলে এক হাজার ২২১ কোটি ৯৫ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ধরে প্রথম দফায় সংশোধন করা হয়।

শুরুতে এ প্রকল্পের আওতায় ১২৫টি উপজেলার মাধ্যমিক স্কুলে উপবৃত্তি এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে নানা কর্মসূচি পরিচালিত হয়েছিল। এখন বিশ্বব্যাংকের অতিরিক্ত অর্থ পাওয়ায় শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির হার ও টিউশন ফি বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে প্রকল্পের মেয়াদও বাড়বে।

এইচকেবি/ এআর