পোশাক কারখানায় নিরাপত্তায় তিন চ্যালেঞ্জ

0
71

Nayon_BGMEAপোশাক কারখানার নিরাপত্তার জন্য অদক্ষ ব্যবস্থাপনা ও পর্যেবক্ষক, অদক্ষ শ্রমিক ও  ব্যবস্থাপকদের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিকেই বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। আর এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তিন ধরণের সংশোধন কৌশল অনুসরণের পরামর্শ দিয়েছেন। এগুলো হচ্ছে ব্যবস্থাপকদের প্রশিক্ষণ, শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ ও বহুর্মুখী মনিটরিং ব্যাবস্থা জোরদার করা।

সোমবার সন্ধ্যায় হোটেল সোনাগাঁয়ে ভবন ও অগ্নি নিরাপত্তা সামগ্রী প্রদর্শনী শেষে মেলার ওপর অ্যাকোর্ড অ্যালায়েন্সের তৈরি এক জরিপে এই তথ্য উঠে আসে।

প্রদর্শনীতে আসা ৪৬৭ জনের উপর জরিপ চালিয়ে এই তথ্য পাওয়া যায়। এর মধ্যে কারখানা প্রতিনিধি ছিলেন ৬৪ শতাংশ, ব্র্যান্ড ১৮ দশমিক ১ শতাংশ, পরামর্শক ৪ দশমিক ৭ শতাংশ, এনজিও ২ দশমিক ৮ শতাংশ।

কারখানার মান উন্নয়নে ব্যবহৃত মানদণ্ডে ৪২ দশমিক ২ শতাংশ মনে করেন এটা বাস্তবায়ন কঠিন হবে। আর ৩৫ দশমিক ৫ শতাংশ মনে করেন এটা এখনই বাস্তবায়ন করা উচিত। এছাড়া ১১ শতাংশ মনে করেন এটা বাস্তবায়ন করা খুবই শক্ত ব্যাপার হবে।

এছাড়া প্রদর্শনী নিয়ে ৭৭ শতাংশ দর্শনার্থীরা মনে করে মেলা সফল হয়েছে।

তবে প্রত্যাশা করা হচ্ছে এই প্রদর্শনী তৈরি পোশাক খাতের নিরাপত্তা বাড়াতে অবদান রাখবে। কারখানার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কিছু সমাধান পাওয়া গেছে। এছাড়া কারখানার মানদণ্ড সম্পর্কে দর্শনার্থীরা আরও জানতে পেরেছে।

প্রদর্শনীতে দেশের ৮০০টি কারখানা ও ৪০টি ইঞ্জিনিারিং, টেকনোলজি এবং ম্যাটিরিয়াল কোম্পানির প্রতিনিধিত্বকারী ২৬০০জন দর্শনার্থী অংশগ্রহণ করে।

যেখানে কারখানার মান উন্নয়ন বিষয়ে একটি ফোরাম গঠন করা হয়েছে। কারখানার নিরাপত্তাকে আরও জোরদার করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ, ভারত চিন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপ থেকে আগত প্রদর্শনকারীরা তাদের সর্বশেষ প্রযুক্তি প্রদর্শন করেছেন।

বিক্রেতারা জানান, তারা দর্শনার্থীদের অগ্নি ও ভবন নিরাপত্তার বিভিন্ন সামগ্রী সম্পর্কে বুঝাতে সক্ষম হয়েছেন। তারা আশা করছেন প্রদর্শনীর পরে একটা ভালো সাড়া পড়বে বলেও মনে করেন তারা।

প্রদর্শনী শেষে অ্যাকর্ড অ্যালায়েন্স ও বিজিএমইএ সম্মিলিতভাবে সংবাদ সম্মেলন করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন, বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলাম, মেজবাহ রবিন, রব ওয়েজসহ অন্যান্যরা।