জমছে মেলা, বাড়ছে বিক্রি

0
96
Book Fair

Book Fairমাঘ মাসের শুষ্কতাকে বিদায় জানিয়ে বাতাসে মিলছে ফালগুনের ঘ্রাণ। আর প্রকৃতি সেজেছে ফালগুনী সাজে। বাতাসে ফালগুনের ঘ্রাণের আমেজে জমেছে অমর একুশে গ্রন্থমেলাও। মেলা যেমনি জমেছে তেমনি বেড়েছে বেচা-বিক্রি। মেলা শেষের দিকে হওয়ায় দর্শনার্থীরা এখন ঘোরাঘুরির চেয়ে বই কিনছে বেশি।

রোববার মেলা ঘুরে দেখা গেছে, মেলার সময়সীমা শেষের দিকে হওয়ায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। বাংলা একাডেমি, লিটল ম্যাগ চত্বর, নজরুল মঞ্চ, মূল মঞ্চ এবং সোহরাওয়াদী উদ্যানে এবং বই মেলার প্রতিটি স্টলসহ প্রতিটি জায়গা এখন মানুষে কানায় কানায় পরিপূর্ণ। পাঠকেরা ঘুরে ফিরে খুঁজে ফিরছেন তাদের প্রিয় লেখক ও প্রিয় প্রকাশনীগুলোতে।

বইপ্রেমীরা প্রিয়জনকে প্রিয় লেখকের বই উপহার দেওয়ার জন্য খুঁজছে স্টল থেকে স্টলে। এখন সবাই বই কিনছে ঘুরছে কম। ফালগুন এলেই অনেক তরুণ-তরুণী বাসন্তি রং এর শাড়ি ও খোপায় ফুল দিয়ে ঘুরে বেড়ায়। দিনটি ফেব্রয়ারিতে হওয়ায় আলাদা করে দেখছে মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রাকাশক। মেলার বেশিরভাগ পাঠক-পাঠিকা তরুণ-তরুণী তাই দিনটি উপলক্ষে প্রকাশকরা প্রস্তুতি নিয়েছেন নতুন নতুন গল্প, উপন্যাস বিশেষ কবিতা বই প্রকাশের।

অন্যপ্রকাশের শিশির বলেন, বেচা-বিক্রি আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। আগে তো মানুষ বই মেলায় আসতো ঘুরতে এখন ঘোরার চেয়ে বেশিরভাগ লোকই বই কিনছে। তবে, তার দোকানে বেশি ভীড় থাকায় তিনি এর বেশি কিছই বলতে পারেন নি।

ভিন্নমাত্রা প্রকাশনীর প্রকাশক ও লেখক মুহাম্মাদ মাসুম বিল্লাহ জানান, বই মেলা আমাদের লেখকদের প্রাণের মেলা। তাই প্রতিবছর মেলায় না আসতে পারলে ভাল লাগে না। একুশ আমাদের স্বাধীনতার চেতনা, একুশ আমাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে জাগ্রত হওয়ার চেতনাকে উজ্জীবিত করে।

তিনি আরও বলেন, মেলায় এলে আমাদের দেশপ্রেম শাণিত হয়। তাই মেলায় সবার আসা উচিৎ। বই কেনা উচিৎ, আর বেশি করে বই পড়া উচিৎ।

তিনি বলেন, বই মেলা শেষের দিকে চলে আসায় পাঠক দলে দলে মেলায় আসছে। নতুন নতুন বই কিনছে। তাদের চাহিদা মত নতুন নতুন বই লেখার চেষ্টা করেছি।

তিনি আরও বলেন, একালের তরুণ-তরুণীরা ইন্টারনেটে ফেসবুক ব্যবহার করতে বেশি পছন্দ করে।  আমি তাদের বলি ইন্টারনেটে ফেসবুক ব্যবহার করে যা কিছু শেখা যায় তার চেয়ে বেশি বইয়ের মাধ্যমে যায়।