পুলিশি সহায়তায়ও হত্যা মামলার আসামি পলাতক: রফিকুল

0
81

Rafikul Islamআদালতের কাঠগড়া থেকে প্রকাশ্যে হত্যা মামলার আসামি ছাত্রলীগ নেতারা পালিয়ে যায়। আইন-শৃংখলাবাহিনীর সহায়তা না থাকলে তারা কিভাবে পালিয়ে যায় বলে সরকারের কাছে পশ্ন রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া।

রোবববার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে কনফারেন্স লাউঞ্জে ‘‘উপজেলা নির্বাচনে সরকারের নগ্ন হস্তক্ষেপ ও ব্যাপক কারচুপির প্রতিবাদ’’ র্শীষক এক নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ময়মনসিংহে প্রকাশ্যে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিনতাই হয়। আপনাদের হুঙ্কার এখন কোথায়। সন্ত্রাসী যেই হোক তাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করার আহবান জানান তিনি।

যেকোনো সময় আমি গুম হয়ে যেতে পারি এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, তবু আপনাদের বলে যেতে চাই, একজন আইনজ্ঞ হিসেবে সত্য কথা বলে যাব। আওয়ামী লীগ হলো একটি ফ্যাসিস্টবাদী দল।

দেশে এই মুহূর্তে মানুষের জীবনের কোনো গ্যারান্টি নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেকোনো মুহূর্তে যে কেউ হত্যা কিংবা গুম হয়ে যেতে পারেন। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও আজ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।

সারাদেশে বর্তমানে মারাত্বক অসহনীয় সংকট চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সকল বিবেকবান মানুষকে এক হয়ে দেশের সন্ত্রাসীদের খুঁজে বের করতে হবে। সে যেই দলেরই হোক না কেন তাকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করা হোক তা আমারও চাই।

তিনি আরও বলেন, জনগণের সমর্থন, ভোট আর মেন্ডেন্ট ছাড়া কখনই গণতন্ত্র টিকে না। সরকার অবৈধপন্থায় ক্ষমতায় এসে মানবাধিকার লঙ্গন করেছে।

২৭ তারিখের নির্বাচনে সরকারি বাহিনী বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করে ভোট কারচুপি করবে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন,  উপজেলা নির্বাচনে সরকারের জনপ্রিয়তা যাচাই হয়ে গেছে। তাই সরকারি দল এখন মরিয়া হয়ে উঠেছে।

মাহমুদুর রহমান মুক্তি সংগ্রাম পরিষদের উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন নান্নু  বলেন, বিএনপি যদি সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতো তা হলে ৯০ শতাংশ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হতো এবং গণতন্ত্র মুক্তি পেতো। তাই উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে বিএনপি প্রমাণ করল যে তারা বাংলাদেশ থেকে এখনো শেষ হয়নি।

মাহমুদুর রহমান মুক্তি সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি মো. রেজাউল কবির সিকদারের সভাপতিত্বে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাধারণ-সম্পাদক শিরিন সুলতানা, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও পরিষদের সভাপতি কে. এম.রফিকুল ইসলাম রিপন, দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার সহ-সম্পাদক  আব্দুল আওয়াল ঠাকুর, এনাম আহমেদ প্রমুখ।

জেইউ