আন্দোলন ঠেকাতে বন্ধ হতে পারে জবি

0
71
joggonnat

joggonnatহল পুনরুদ্ধার ও স্থায়ী আবাসনের দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে পুলিশের গুলিবর্ষণ ও লাঠি চার্জের প্রেক্ষিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হতে পারে  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সহকারি প্রক্টর অর্থসূচককে একথা জানান।

তবে এ বিষয়ে রোববার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সিন্ডকেট সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হবে।

দশদিন যাবত চলমান আন্দোলনে রোববার সকালে পুলিশের সাথে দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে আন্দোলনকারীরা। এসময় পুলিশের লাঠিচার্জ ও গুলিতে চার শিক্ষকসহ আহত হয়েছেন প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হলেও তাতে আন্দোলনে কোনো প্রভাব পড়বেনা বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারী এক শিক্ষার্থী গোলাম ফোরকান। তিনি বলেন, “ শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ঠেকাতে শুরু থেকেই প্রশাসন নানা রকম ছলচাতুরির আশ্রয় নিয়েছে। যেহেতু আমরা হলে থাকিনা সেহেতু আজকের পর বিশ্ববিদ্যালয় যদি বন্ধও ঘোষণা করা হয় তাতে আন্দোলনের কিছুই হবেনা”।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হবে কিনা সেবিষয়ে কিছুই বলেননি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অশোক কুমার সাহা। তিনি জানান, “উদ্ভূত পরিস্থিতে আমাদের কি করণীয় তা ঠিক করতে আজ সন্ধ্যায় সিন্ডকেট সভা অনুষ্ঠিত হবে”।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুরোধ উপেক্ষা করে এবং কোনোরূপ অনুমতির তোয়াক্কা না করেই পুলিশ গুলি চালিয়েছে বলেও অর্থসূচককে জানান তিনি।

তিনি জানান, “পুলিশি হামলায় আহত শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে পার্শবর্তী ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে আর গুরুতর আহতদেরকে পাঠানো হয়েছে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে”।

তবে আবাসনের দাবির সাথে নতুন করে যোগ হয়েছে পুলিশি হামলার নেতৃত্বদানকারী ডিসি হারুনকে অবিলম্বে প্রত্যাহারেরও।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এখনই কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি অভিযুক্ত ডিসি হারুন।

এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করেছেন জবি ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি ও স্থানীয় সাংসদ কাজী ফিরোজ রশীদ। অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের শনাক্ত করে তাদেরকে অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। প্রয়োজনে সংসদে বিষয়টি উত্থাপনের কথাও বলেন এই সাংসদ।

এসএসআর