ব্যাংক সেবার মান বাড়ানোর তাগিদ অর্থমন্ত্রীর

0
51

Finance Ministerব্যাংক সেবার মান বৃদ্ধি, সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা ও সকলের আস্থা ও বিশ্বাস বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। এছাড়া ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণের ওপর জোর দিতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার সকালে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের বার্ষিক সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন।

ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ড. এইচ এম হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল মুহিত। এছাড়া অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ড. এম আসলাম, সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী প্রদীপ কুমার দত্তসহ সোনালী ব্যাংকের বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, অলস টাকা আদায় করে ব্যবসা করা ব্যাংকের কাজ। আর এটা করে ব্যাংককে ব্যবসা করতে হবে। কী ধরনের সেবা  কিংবা কিভাবে সেবা দিতে হয়, ব্যাংক সেবা দিতে গেলে তা জানতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

মন্ত্রী অনলাইন ব্যাংকিংয়ের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, অনলাইন ব্যাংককিং বাড়াতে হবে। যাতে গ্রাহকরা এর মূল সুবিধা পেতে পারে। সকলের আস্থা ও বিশ্বাস বাড়লে সেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে বলেও মনে করেন তিনি।

 ড. এম আসলাম বলেন, শ্রেণীকৃত ঋণ আদায়ে ব্যাংকটি বেশ সাফল্য দেখিয়েছে বলে মনে করেন তিনি। আমানত সংগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো। আর এই সাফল্য না হলে ব্যাংকটি অস্তিত্ব সংকটে পড়তো বলেও মনে করেন তিনি।

তিনি ব্যাংকটিকে এসএমই খাতের ওপর নজর বাড়ানোর গুরুত্ব আরোপ করেন। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করার জন্য ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করার কথা বলেন।

তাছাড়া ব্যাংকের পাসওয়ার্ড ব্যবস্থাপনা ও কিশোরগঞ্জের ঘটনা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা দুর্বল দিক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই বিষয়ে অবগত থাকলে এই ঘটনা এড়ানো সম্ভব ছিল। নজরদারি বাড়াতে আরও কার্যকরি ভূমিকা পালন করা দরকার বলেও মনে করেন তিনি।

ড. এইচ এম হাবিবুর রহমান বলেন, কয়েক বছর ধরে ব্যাংকটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করেছে বলে জানান তিনি। ২০১২ সালে হলমার্ক কেলেঙ্কারি, ২০১৩ সাল সংকট উত্তরণ ও খেলাপি ঋণ আদায়ের বছর ছিল। তবে ২০১৪ সালকে ব্যবসা উন্নয়নের বছর হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, কিছু নৈতিকতা বিবর্জিত ব্যাংক কর্মকর্তার কারণে হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটেছে। তাতে ব্যাংকটির অনেক ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করেন তিনি। এর জন্য ব্যাংক ঋণ বন্ধ করা যাবে না। ঝুঁকি নিতে হবে বলেও মনে করেন তিনি। আমাদের সামনে বহু চ্যালেঞ্জ থাকবে। আমরা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।