১০-১২ শতাংশ ভোটও পেতো না সরকার : হান্নান শাহ

hhannan-shah

hannanউপজেলা নির্বাচনে প্রশাসন ব্যবহার না করলে সরকার ১০-১২ শতাংশ ভোটও পেতো না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বিগ্রে, জে. (অব.) আ স ম হান্নান শাহ।

বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের হলরুমে ‘দেশ ও জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করার জন্য দ্রুত নির্বাচনের দাবি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

হান্নান শাহ বলেন, উপজেলা নির্বাচনে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে জনগণ সরকারকে উপযুক্ত জবাব দিয়েছে। সরকার যে জনগণ থেকে শতভাগ বিচ্ছিন্ন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে মানুষ তা বুঝিয়ে দিয়েছে।

উপজেলা নির্বাচনে সরকার প্রশাসনকে ব্যবহার করেছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, বিভিন্ন উপজেলায় ভোট কারচুপির অভিযোগ করা হলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। প্রশাসন সরকারের আজ্ঞাবহ হয়ে কাজ করছে।

ক্ষমতাসীন দল ও প্রশাসনের লোক সিল বানিয়ে ব্যালট ছিনতাই করেছেন এমন অভিযোগ করে বিএপির এই নেতা বলেন,  তবুও এ নির্বাচন প্রমাণ করে সরকার কতোটা জনবিচ্ছিন্ন। বাকি নির্বাচনেও জনগণ আ.লীগকে প্রত্যাখান করবে।

এখন বিএনপির তৃণমূল শক্তিশালী হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, উপজেলা নিবার্চন প্রমাণ করে বিএনপির তৃণমূল কতো শক্তিশালী। খালেদা জিয়া তৃণমূল শক্তিশালী করে এ সরকারকে জবাব দেবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীকে ভারতের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করে হান্নান শাহ বলেন, সরকার ভারতকে খুশি করতে বিনা টেন্ডারে গ্যাস ও তেল ক্ষেত্র দিয়েছে।

অনষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা সামছুজ্জামান দুদু বলেন, রাজনৈতিক শূন্যতা রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে হয়। প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলকে মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়ে ছাত্রলীগ, যুবলীগ দিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের গুম ও হত্যা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

উপজেলা নির্বাচন সম্পর্কে তিনি বলেন, উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি কাউকে কাউকে সমর্থন দেওয়ায় ৪০টি উপজেলায় জয়লাভ করেছে। সুষ্ঠ নির্বাচন হলে আ.লীগ ৩ থেকে ৪টির বেশি উপজেলায় জয়ী হতে পারতো না।

সংগঠনের সভাপতি হানিফ বেপারির সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বরকত উল্লাহ বুলু, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুস সালাম আজাদ প্রমুখ।

জেইউ/কেএফ