বাজারে বেড়েছে মাছ ও লেয়ার মুরগির দর
সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » পণ্যবাজার

বাজারে বেড়েছে মাছ ও লেয়ার মুরগির দর

মাছের বাজাররাজধানীর বাজারে বেড়েছে মাছ ও মুরগির দাম। ব্যবসায়ীরা জানায়, শীতকালীন মাছের সরবারহ কমে যাওয়ায় মাছের দর বাড়তির দিকে। অন্যদিকে, এসময়ে বিয়ে ও পিকনিকের মৌসুম থাকায়  লেয়ার মুরগির চাহিদা অনুযায়ী সরবারহ না থাকায় এ মুরগি একটু বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে অপরিবর্তীত রয়েছে ব্রয়লার দুরগির দর।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিলের এজিবি কলোণী কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, শিং মাছ ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা বেড়ে ১ হাজার টাকা, জাটকা ইলিশ ৩০ টাকা বেড়ে ৩৫০ টাকা,কাতল মাছ ৫০ টাকা বেড়ে ৪০০ টাকা, রুই মাছ ৫০ টাকা বেড়ে ৩৫০ টাকা, তেলাপিয়া ১০ টাকা বেড়ে ১৪০ টাকা, চাষের কৈ ৩০ টাকা বেড়ে ২৫০ টাকা,দেশি কই ২০০ টাকা বেড়ে ১ হাজার টাকা, বোয়াল ৫০ টাকা বেড়ে ৪০০ থেকে ৬৫০ টাকা,  গজাল ১০০ টাকা বেড়ে ৫০০ টাকা, মাগুর ২০০ টাকা বেড়ে ৭০০ টাকা, শোল ১০০ টাকা বেড়ে ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্য লেয়ার মুরগি ১০ টাকা বেড়ে ১৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছ ব্যবসায়ী সাধন কুমার বলেন, শীতকালীন মাছ বাজারে কম থাকায় এর প্রভাব পড়েছে মাছের বাজারে।

মুরগি ব্যবসায়ী মো.সগীর আলী বলেন, পিকনিক, শিক্ষা সফর, বিয়ে ও নানা অনুষ্ঠানের জন্য বাজারে মুরগির চাহিদা বেশি। ব্রয়লার মুরগি চাহিদামতো সরবারহ থাকলেও লেয়ার মুরগির সরবারহ কম।

আজকের বাজার চিত্রঃ

কাঁচাবাজার :

কাঁচাবাজারে ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি শসা ৪০ টাকা, কাঁচামরিচ ৫০ টাকা, লম্বা বেগুন ৭০ টাকা, গোল বেগুন ৬০ টাকা,  শিম ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ঝিঙ্গা ৭০ টাকা, মুলা ২০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০০ টাকা,নতুন আলু ১০ থেকে ১২ টাকা, গাজর  ২০ টাকা, করলা ৯০ টাকা, উস্তা ৯০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা,পটল ১৪০ টাকা, পেঁপে  ১৫ টাকা, কচুর লতি ৫০ টাকা, কচুর মুখি ৬০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, চায়না বরবটি ৮০ টাকা, হাইব্রিড টমেটো ২৫ টাকা, দেশি টমেটো ৩০ টাকা, কাঁচা টমেটো ৩০ টাকা, ওলকপি ২০ টাকা, শালগম ২৫ টাকা, ক্যাপসিক্যাম ১৫০ টাকা ও মটরশুটি  ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া, প্রতিটি ফুলকপি ২০ টাকা, ব্রকলি (সবুজ ফুলকপি)৩০ টাকা, বাঁধাকপি ২০ টাকা, লাল বাঁধাকপি ৫০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৮০ থেকে ১২০ টাকা ও লাউ ৬০ টাকা, জালি কুমড়া ৪০ থেকে ৫০ টাকা পিস হিসেবে বিক্রি হচ্ছে এবং প্রতিহালি কাঁচকলা ২৫ টাকা ও লেবু ২৫ থেকে টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া, বাজারে লালশাক, লাউশাক, পালংশাক, মুলাশাক, কুমড়াশাক, ডাটাশাকসহ নানা ধরনের শাকের আটি ১০ থেকে ৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এবং লেটুস পাতা প্রতিটি ২০ টাকা, চায়নাপাতা ২০ টাকা, পুদিনাপাতা ১০০ গ্রাম ২৫ টাকা, ধনেপাতা প্রতি ১০০ গ্রাম ১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুদি :

মুদি দোকান ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি নতুন পেঁয়াজ ২৫ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ২০ টাকা, চায়না বড় রসুন ৮০ টাকা, দেশি রসুন ১০০ টাকা, একদানা রসুন ১০০ টাকা, চায়না আদা ১৫০ টাকা, দেশি আদা ১২০ টাকা, ইন্দোনেশিয়ান আদা ১২০ টাকা, শুকনা মরিচ ২০০ টাকা, হলুদ ১২০ টাকা, হলুদের গুঁড়া ১৬০ টাকা, মরিচের গুঁড়া ২২০ টাকা, ধনিয়া ৮৫ টাকা, আটা (প্যাকেট) ৩২ টাকা, ময়দা (প্যাকেট) ৩৮ টাকা, দারুচিনি ৩০০ টাকা, এলাচি ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা, জিরা ৩৫০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকা, বেশন ৫৫ টাকা, দেশি মশুর ডাল ১১০ টাকা, ভারতীয় মশুর ডাল ৮০ টাকা, খেসারি ডাল ৪৪ টাকা, মুগ ডাল ১৩০ টাকা, ছোলা ৫৫ টাকা, অ্যাংকর ডাল ৪২ টাকা, মাসকলাই ১২০ টাকা, বুট ৬০ টাকা, খোলা চিনি ৪৪ টাকা, প্যাকেট চিনি ৫২ টাকা ও প্রতি লিটার সয়াবিন খোলা ১১৫ টাকা ও বোতলজাত সয়াবিন ১১৯ টাকা হিসেবে বিক্রি হচ্ছে।

চাল :

আজ চালের বাজারে প্রতিকেজি নাজিরশাইল ৫২ থেকে ৫৫ টাকা, মিনিকেট ৪৮ থেকে ৫০ টাকা,লতা আটাশ ৩৮ থেকে ৪০ টাকা, মোটা চাল ৪২ টাকা, জিরা নাজির ৫২ টাকা, আটাশ ৪৫ টাকা, পাইজাম ৪০ টাকা, চিনি গুড়া ১১০ টাকা, পারিজা ৩৮ টাকা, বিআর-২৮ ৪৪ টাকা, বিআর-২৯ ৪৪ টাকা, হাসকি ৪২ টাকা, স্বর্ণা ৩২ টাকা থেকে ৩৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ডিম :

আজকে বাজারে প্রতি হালি লেয়ার মুরগির লাল ও সাদা ডিম ২৮ টাকা, হাঁসের ডিম ২ টাকা কমে ৩৮ টাকা, পাকিস্তানি মুরগির ডিম ৪০ টাকা, দেশি মুরগির ডিম ৪৫ টাকা হালি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

মাছ :

আজকের মাছ বাজারে ৭০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের বেশি প্রতিহালি ইলিশ ২ হাজার ৪০০ টাকা। জাটকা ইলিশ ৩৫০ টাকা, চন্দনা ইলিশ ১৬০ টাকা, কাতল মাছ ৪০০ টাকা, রুই মাছ ৩৫০ টাকা, তেলাপিয়া ১৩০ টাকা, চায়না পুটি ১৪০ টাকা, পাঙ্গাস ১২০ টাকা, চিংড়ি (বড়) ১ হাজার ২০০ টাকা, চাষের কৈ ২৫০ টাকা, সিলভার কার্প ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া দেশি আইর মাছ ৩২০ টাকা, বাইম ৪০০ টাকা, ফলুই ৩৫০ টাকা, গুলশা ৩৫০ টাকা, কাইবা ২৫০ টাকা, পাবদা ৬০০ টাকা, কাজুলি ৩০০ টাকা, পুটি ৩০০ টাকা বেলে ৩৫০ টাকা, মেনি ৪০০ টাকা, দেশি কই ১ হাজার টাকা, দেশি শিং ১ হাজার টাকা, বোয়াল ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা, টাকি ২৫০ টাকা, গজাল ৫০০ টাকা, মাগুর ৭০০ টাকা, ভেদা ৩০০ টাকা, মলাঢেলা ২০০ টাকা, কাচকি মাছ ২৫০ টাকা, সুরমা মাছ ১৬০ টাকা শোল বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা দরে।

শুঁটকি মাছ :

শুঁটকি মাছ প্রতি ১০০ গ্রাম চিংড়ি শুঁটকি মানভেদে ৩০ টাকা থেকে ৭০ টাকা, টাকি ৬০ টাকা, কাচকি ৬০ টাকা, লইট্যা শুটকি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বাইম মাছের শুঁটকি ৮০ টাকা, চাপিলা শুটকি ৬০ টাকা, পুঁটি মাছের শুঁটকি ৬০ টাকা, নলা মাছের শুঁটকি ৬০ টাকা, চান্দা মাছের শুঁটকি ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, প্রতি কেজি ইলিশ মাছের শুঁটকি ৭০০ টাকা ও কাইলা শুঁটকি ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাংস :

মাংসের বাজারে গরুর মাংস ২৮০ টাকা, খাসির মাংস ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এক কেজি ওজনের প্রতিটি দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৬০ টাকা টাকা, লেয়ার মুরগি ১৭০ টাকা, হাঁস ৩০০ টাকা, ভেড়া ও ছাগীর মাংস ৪৫০ টাকা এবং কবুতরের বাচ্চা ২৫০ টাকা জোড়া হিসেবে বিক্রি হচ্ছে।

ফল :

আজ ফলের বাজারে আপেল ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, মালটা ১৬০ টাকা, আঙুর ৪৫০ টাকা ও প্রতি ডজন কমলা ২০০ থেকে ২২০ টাকা, বেদানা ২৫০ টাকা, পেয়ারা ১৫০ টাকা, আমড়া ১২০ টাকা, আমলকি ১৫০ টাকা, ছবেদা ৮০ টাকা ও জলপাই ৪০ টাকা, কুল বড়ুই ১২০ টাকা, আপেল বড়ই ১২০ টাকা, বাউ কুল ৫০ টাকা, টক বড়ুই ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে

এছাড়া, প্রতিহালি সাগর কলা ২৫ টাকা, নেপালি কলা ১৫ টাকা, শবরী কলা ২৫ টাকা, চাপা কলা ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতিটি জাম্বুরা ৮০ টাকা থেকে ১২০ টাকা, বেল ৮০ থেকে ১৫০ টাকা এবং  আনারস প্রতিটি ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

অর্থসূচক.কম/এসএস

এই বিভাগের আরো সংবাদ