পরিবার পরিকল্পনার আওতায় আসছে ৪৪ লাখ পোশাক শ্রমিক

বিজিএমইএ পরিবার পরিকল্পনা

বিজিএমইএ পরিবার পরিকল্পনাদেশের ৪৪ লাখ পোশাক শ্রমিককে পরিবার পরিকল্পনার আওতায় আনতে এনজেন্ডার হেলথ বাংলাদেশের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বিজিএমইএ।

বুধবার দুপুরে তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সংস্থা বিজিএমইএর মিলনায়তনে ‘মায়ের হাসি প্রকল্প’ নামের এই সংক্রান্ত চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলাম জানান, এই স্বাক্ষরের মাধ্যমে ৪৪ লাখ শ্রমিক পরিবার পরিকল্পণার আওতায় আসলো।তাতে এই বিশাল জনগোষ্ঠী আরও সচেতনতার মধ্যে আসবে বলে মনে করেন তিনি।

আতিকুল ইসলাম বলেন, রানা প্লাজা ধসের পর থেকে পোশাক খাত একটা বড় চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়েছে। তবে এই দু:সময়ের মধ্যেও সকলকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

সাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনটির সভাপতি আতিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি রিয়াজ বিন মাহমুদ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের যুগ্ম সচিব ও পরিচালক ফায়েকুজ্জামান চৌধুরী, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের লাইন ডিরেক্টর ডা: মঈনউদ্দীন আহমেদ বিজিএমইএর নেতৃবৃন্দ।

সহ-সভাপতি রিয়াজ বিন মাহমুদ বলেন, পোশাক শ্রমিকরা শিক্ষার দিক দিয়ে পিছিয়ে আছে।তাদের কে যদি এই কার্যক্রমের আওতায় আনা যায় তবে দেশের জনসংখ্যার উপরে একটা পভাব পড়বে বলে মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, আমরা শ্রমিকদের মাতৃকালীন ৪ মাস ছুটি দিয়ে থাকি। তবে সেটা দুইটি সন্তানের জন্য। মায়ের হাসি কার্যক্রম শ্রমিকদের জন্য ভালো ফল বয়ে আনবে বলেও মনে করেন তিনি।

প্রাথমিকভাবে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করেত  বিজিএমইএর ১২টি হেলথ সেন্টার ও দুই হাসপাতালে এই কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানা গেছে। এর ফলে দেশের তৈরি পোশাক শ্রমিকরা পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কে সঠিক ও সম্পন্ন তথ্য সেবা পাবে। সেই সঙ্গে তাদের পছন্দমতো পদ্ধতি ব্যবহার করাসহ পরিকল্পিত পরিবার গঠনের মাধ্যমে সুখী ও সমৃদ্ধশালী জীবন যাপন করতে পারবে বলে জানানো হয়।