দেশি প্রকৌশলীদের সাথে কাজ করত হবে ক্রেতাদের: গণপূর্ত মন্ত্রী

Garments_Workerবিদেশি প্রকৌশলীদের বুয়েট ও আইইবির সঙ্গে এক জোট হয়ে কাজ করতে হবে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসাইন।সেই সাথে পরিদর্শনের ক্ষেত্রে এদেশের পরিবেশকে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনার মাধ্যম্যে বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। প্রয়োজনে পরিদর্শনের জন্য জাতীয় সংসদে আইন তৈরি করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।

মঙ্গলবার দুপুরে বিজিএমইএ’র নূরুল কাদের মিলনায়তনে নূরুল কাদের মিলনায়তনে তৈরি পোশাক কারখানায় অগ্নি, বিদ্যুৎ ও ভবন নিরাপত্তার মূল্যায়ন বিষয়ে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(রাজউক)এর চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. নূরুল হুদা, এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী, বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারস ইন্সটিটিউটের (আইইবির) চেয়ারম্যান ড. শামীম জেড. বসুনিয়া, বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলাম, সহ-সভাপাতি শহীদুল্লাহ আজীম, এসএম মান্নান কচি, রিয়াজ বিন মাহমুদ, বুয়েটের শিক্ষকবৃন্দ ও বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দীন, আব্দুস সালাম মোর্শেদী, আনোয়ারুল আলম পারভেজসহ নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, যারা বিদেশ থেকে কারখানা পরিদর্শন করতে আসবে তাদের জন্য জাতীয় সংসদে আইন তৈরি করা হবে। যাতে করে ওই আইনের মাধ্য দিয়ে এসে কাজ করতে পারে।

আর যেসব কারখানা স্থানান্তর করতেই হবে তা সরাতে একটু সময় লাগবে বলে মনে করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আমরা শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে চাই। দেশের প্রবৃদ্ধির স্বার্থে এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখা ছাড়া আর কোনো পথ নেই বলে মনে করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেন, পোশাক কারখানার জন্য আলাদা সেল খুলতে রাজুক চেয়ারম্যানের প্রতি আহ্বান জানান। যারা শুধু পোশাখ কারখানা তৈরি অনুমোদন নিয়ে কাজ করবে বলে মনে করেন তিনি।

ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার ক্রেতা জোট অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স কারখানা পরিদর্শনের নামে বিদেশ থেকে আসা প্রকৌশলীর জন্য সরকারিভাবে উদ্যোগ নিয়ে নিবন্ধনের ব্যবস্থা থাকতে হবে বলে মেন করেন তিনি। তাছাড়া পোশাক কারখানার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি সময় নিয়ে করা দরকার বলে মনে করেন তিনি।

রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, মালিকরা ইউনিয়ন কাউন্সিল থেকে অনুমোদন নিয়ে কারখানা তৈরি করেছে। তবে এখন রাজউক ছাড়া ভবন পরিকল্পনা অনুমোদন নেওয়া সম্ভব নয় বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, বুয়েটও ইএবির মাধ্যমে পরীক্ষা করে সার্টিফিকেট দিলে রাজউক তা অনুমোদন দেবে।

আতিকুল ইসলাম বলেন, অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স পরিদর্শনের সময় ওয়াকুপেশনিং সার্টিফিকেট না থাকলে কারখানা বন্ধ করে দেবে এটা হতে পারে না। এই ভাবে কারখানা বন্ধ মালিকরা মানবে না বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, পোশাক খাত এখন হুমকির মুখে। বিদেশি ক্রেতারা ৩০২২ পৃষ্ঠার নথি নিয়ে এসে পরিদর্শন করবে। আর কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে। এর জন্য মালিকরা আরও সময় চান। আমাদের আরও সময় দেওয়া হোক। আমরা মালিক নই, উদ্যোক্তা। আমরা চাইনা কোনো শ্রমিক মারা যাক কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত হোক।