সাগর-রুনী হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব হাইকোর্টের

0
80
sagor runi

sagor runiদু’বছরেও অমিমাংসিত সাগর-রুনির হত্যামামলাটির অগ্রগতির বিষয়ে জানতে তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। হাইকোর্টের নির্দেশে বলা হয়েছে, আগামি ৫ মার্চ তাকে আদালতে উপস্থিত থাকতে হবে।

একইসঙ্গে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে ৫ মার্চ হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে র‌্যাবের মহা-পরিচালককে এই নির্দেশ বাস্তবায়নের দায়িত্ব দিয়েছেন আদালত।

হত্যাকাণ্ডের পর দু’বছর পেরিয়ে গেলেও আদালেত অভিযোগপত্র না পৌঁছায়, এ মামলায় গ্রেপ্তার তিন আসামি মঙ্গলবার হাইকোর্টে জামিন চাইতে গেলে বিচারপতি এম এনায়েতুর রহিম ও বিচারপত মোহাম্মদ উল্লাহর বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

দু’বছর পেরিয়ে গেলেও এ মামলায় অভিযোগপত্র হয়নি এবং মামলার অগ্রগতি না হওয়ার পরও আসামিদের আটকে রাখা হয়েছে এই মর্মে আদালতে তাদের জামিন আবেদন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবি অ্যাডভোকেট এস এম মাসুদ হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারি এটর্নি জেনারেল গাজী মো. মামুনুর রশীদ।

দু’পক্ষের শুনানি শেষে আদালত বলেন, ‘আমরা তদন্তের অগ্রগতি জেনে তারপর জামিনের বিষয়ে আদেশ দেব।’

তদন্তের অগ্রগতি জানতেই র‌্যাবের তদন্ত কর্মকর্তাকে ৫ মার্চ আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে এই আইনজীবী জানান।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজারে নিজেদের বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রুনি।

পুলিশ হত্যার রহস্যের সমাধান করতে না পারায় ২০১২ সালের ১৮ই এপ্রিল হাইকোর্ট মামলাটি র‌্যাবের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেন। র‌্যাব তদন্তের দায়িত্ব নেওয়ার পর সন্দেহভাজন ১৬ জনের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠায়। এছাড়া আলামত হিসেবে জব্দকৃত ছুরি ও পোশাকের নমুনাও পাঠানো হয়। কিন্তু তাতেও খুনি সনাক্ত করা যায়নি।

হত্যাকাণ্ডের এক বছর আট মাস পর ঘটনায় ‘জড়িত’ আটজনকে চিহ্নিত করে সাতজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানান তখনকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর। এর মধ্যে পাঁচজনই আবার চিকিৎসক নেতা ডা. নারায়ণ চন্দ্র দত্ত নিতাই হত্যা মামলার আসামি।

গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে বকুল মিয়া, রফিকুল ইসলাম ও কামরুল হারান অরুণ নামে তিনজনের পক্ষে জামিনের আবেদন নিয়ে মঙ্গলবার হাইকোর্টে আসেন তাদের আইনজীবী এস এম মাসুদ হোসেন দোলন।

এমআর/কেএফ