ব্যয় বাড়ছে ক্ষুদ্র ও মাঝারী নদীতে রাবার ড্যাম নির্মাণ প্রকল্পে

0
123

rubber_damক্ষুদ্র ও মাঝারি নদীতে রাবার ড্যাম নিমার্ণ প্রকল্পে ব্যয় বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে চলমান প্রকল্পটির প্রথম সংশোধিত প্রস্তাবে এ সুপারিশ করেছে ডিপিইসি । সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রণালয়ে সচিবের সভাপতিত্বে এ বিষয়ে বিভাগীয় প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (ডিপিইসি) বৈঠকে প্রকল্পটির জন্য অর্থ বৃদ্ধির এ সুপারিশ করা হয়।

প্রকল্পটি বাস্তাবায়ন করবে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন ( বিএডিসি)। প্রকল্প পরিচালক আব্দুস সামাদ জানান, বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও মাঝারি নদীতে খালে রাবার ড্যাম নির্মাণ করা, বর্ষা পরবর্তী মৌসুমে ভূ-উপরিস্থ পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থাসহ প্রকল্প এলাকায় রবি ও বোরো ফসলে সেচ কাজে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধি করাই এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।

জানা যায়, আন্ত:খাত সমন্বয়ের প্রস্তাবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের মূল বেতনের ২০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা করায় এবং নির্মাণ সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধির কারণে প্রকল্পটির ব্যয় বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ৩১ হাজার ৯২৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এর মধ্যে ডিএই অঙ্গ ১ হাজার ১৭৯ কোটি ৮৫ লাখ টাকা, এলজিইডি অঙ্গ ২৫ হাজার ১০ কোটি ১১ লাখ টাকা এবং বিএডিসি অঙ্গ ৫ হাজার ৭৩৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয় করবে। প্রকল্পের মেয়াদ ২০০৯ সালের জুলাই থেকে ২০১৬ সালের জুন পর্যন্ত ধরা হয়েছে।

প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে জানা গেছে, ২০১৩-১৪ অর্থ বছরের এডিপিতে বরাদ্দকৃত ৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকার বিপরীতে ২০১৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যয় করা হয়েছে ১ হাজার ৯৭ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। যা বরাদ্দের ২৩ শতাংশ। প্রকল্পের শুরু থেকে ২০১৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ১৭ হাজার ৫৬৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।

প্রকল্প পরিচালক জানান, মূল অনুমোদিত ডিপিপিতে ১২ টি রাবার ড্যাম নিমার্ণের সংস্থান ছিল। এর মধ্যে এলজিইডি ১০ টি, বিএডিসি ২ টি। পরবর্তীতে আরও ৬ টি রাবার ড্যাম নির্মাণের সংস্থান রেখে ১ম সংশোধিত ডিপিপি অনুমোদিত হয়। নতুনভাবে সংস্থানকৃত রাবার ড্যামের মধ্যে এলজিইডির ৫ টি এবং বিএডিসির ১ টি রাবারড্যাম রয়েছে।

আরডিপিতে বিএডিসি বিশ্বম্ভপুর উপজেলার মিছাখালী নদীতে ২৪০ মিটার দীর্ঘ একটি রাবার ড্যাম নির্মাণের সংস্থান রয়েছে। কারিগরি উপযোগিতার বিষয়টি বিবেচনা করে বিস্তারিত জরিপের মাধ্যমে রাবার ড্যামের অবস্থান পূর্ববর্তী স্থান থেকে উজানের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ফলে এর দৈর্ঘ ২৪০ মিটারের পরিবর্তে ২২০ মিটার হয়। সংযোগ সেতু ও রাবার ব্যাগের দৈর্ঘ্য কমলেও ইতোমধ্যে নির্মাণ সামগ্রীর ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রটেকটিভ ওয়ার্ক সম্পন্ন করার জন্য অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন।

এইচকেবি/