দিনাজপুরের নদী এখন মরা খাল

0
346
kortoa

kortoaদিনাজপুরের ৬টি নদী এখন মরা খাল, এক সময়ের খরস্রোতের নদী গুলো এখন বছরের অধিকাংশ সময় থেকে শুকনো ধুধু বালুচর। নদীর বুকচিঁড়ে চাষ হচ্ছে সোনালি ফসল। নদীতে পানি না থাকায়, নদীপাড়ের চাষাবাদ চলছে ভূ-গর্ভ থেকে সেচকৃত পানি দিয়ে। হারিয়ে গেছে জেলেদের জীবন-যাত্রা, এলাকায় দেখা দিয়েছে দেশি মাছের আকাল।

দিনাজপুরের আত্রাই, পূর্নভবা, ধলেশ্বর, ঢেপা, যমুনা, করোতয়া নদী গুলো এখন মরা খাল, এক সময়ে খরস্রোতের ছিল নদী গুলো এখন বছরের অধিকাংশ সময় থাকে শুকনো ধুধু বালুচর।

এই নদী গুলো ছিল এই এলাকার মানুষের জীবন-জীবিকার মাধ্যম, নদীর পানি দিয়ে চলতো, কৃষকের চাষাবাদ ও  মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতো হাজার জেলে সম্প্রদায়ের, শুধু তাই নয় নদী থেকে পুরানো হতো  এলাকার দেশি মাছের চাহিদা।

জানা গেছে, দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী নদী গুলো দিনাজপুর জেলা সদর হয়ে চিচির বন্দর, পার্বতীপুর, ফুলবাড়ী , বিরামপুর , হাকিমপুর, উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে জয়পুর হাট জেলার পাঁচবিবি জয়পুর হাট সদর হয়ে নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলা হয়ে যমুনা নদীর সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছে।

এই নদী গুলোকে কেন্দ্র করে নদীর তীরে গড়ে উঠেছে, দিনাজপুর সদর উপজেল, ফুলবাড়ী উপজেলা ও বিরামপুর, হাকিমপুর, পাচঁবিবি এবং জয়পুর হাট জেলা সদর।

কিন্তু বর্তমানে নদীতে পানি না থাকায় হারিয়ে গেছে জেলেদের জীবন-জীবিকা ও এই এলাকার দেশি মাছ, কৃষকেরা চাষাবাদ করছে ভূ-গর্ভের পানি দিয়ে এই কারনে দিন দিন ভূ-গর্ভের পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। এই জন্য কিছু উপজেলায় রাবারড্রাম্প স্থাপন করে বর্ষার পানি ধরে রেখে চাষাবাদ করার ব্যাবস্থা হয়েছে।

সরকারি অফিস সূত্রে জানা গেছে স্বাধীনতার পর থেকে এই পর্যন্ত নদী খননের জন্য কয়েক কোটি টাকা বরাদ্ধ হয়েছে, কিন্তু নদী খনন তেমনটা হয়নি।

সাকি/