বৃষ্টির পর স্বস্তি বিক্রেতাদের

0
63
বইমেলা

বইমেলামেলা যখন জমছিল ঠিক তখনি একমুঠো বৃষ্টি এসে যেন মেলার সেই আড্ডা ভেঙ্গে দিল। মেলা শুরুর প্রথম দিকে যখন বেচা-বিক্রি ছিল নগন্য। সেখানে দিন বাড়ার সাথে সাথে দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। বিক্রিও আগের তুলনায় দ্বিগুন হারে বাড়ছিল। তার মাঝে বৃষ্টি হতাশ করে দিয়েছে প্রকাশক ও লেখকদের। গতকাল আবহাওয়া খারাপ হওয়ায় বেচা-বিক্রি হয়েছে স্বাভাবিকের ছেয়ে ৯০ ভাগ কম। তবে আজ আকাশের অবস্থা ভাল থাকায় গতকালের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার আশা প্রকাশ করছেন প্রকাশকরা।

কাল যখন বৃষ্টি হয় তখন মেলায় সবাই ছুটা ছুটি করছিল। কেউ ছাতা এনেছিল, কেউবা আবার ছাতা ছাড়া। সন্ধ্যা হওয়ার সাথে সাথে শর্ট সার্কিটে দুর্ঘটনা হওয়ার ভয়ে মাঠের লাইট ছাড়া সব স্টলের লাইট বন্ধ করে দেওয়ায় প্রকাশকরাও তাড়াতাড়ি স্টল বন্ধ করে ফেলে। যার কারণে বেচা-বিক্রিও কম হয়েছে।

বাংলা একাডেমির সচিব আলতাফ হোসেন বলেন, আমাদের বাংলা একাডেমির বেচা-বিক্রি গত বছরের চেয়ে অনেক বেড়েছে। তবে গতকাল ২ লাখ ২৭ হাজার টাকা বিক্রি হয়েছে।

তিনি বলেন, এখন বেচা-বিক্রি বেশি হচ্ছে প্রতিদিন প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা বিক্রি হয়। কিন্তু গতকাল বেচা-বিক্রি আমাদেরও কম হয়েছে। তবে এ বছর আমরা বাংলা একাডেমির বই বিক্রি ১ কোটি হবে বলে আশা করছি।

 

বেচা-বিক্রি সর্ম্পকে অন্যপকাশ প্রকাশনির ম্যানাজার শিশির আহমেদ বলেন, গতকাল বৃষ্টি হওয়ায় বেচা-বিক্রি ছিল খুবই কম। স্বাভাবিক সময় যেভাবে বিক্রি হয় তার চেয়ে ৯০ ভাগ বিক্রি কম হয়েছে।

অন্যন্যা প্রকাশনির ম্যানেজার মিজানুর রহমান বলেন, গতকাল বেচা-বিক্রি যা হয়েছে তা একদম কম। প্রতিদিনের তুলনায় দশ ভাগ বিক্রি হয়েছে কাল।

ঝিঙে ফুল প্রকাশনির প্রকাশক গিয়াসউদ্দীন খসরু বলেন, গতকাল বেচা-বিক্রি ভালই হচ্ছিল কিন্তু আসরের পর একেবারে কমে গিয়েছিল। সন্ধ্যা হওয়ার পর পরই লোকজন চলে গিয়েছিল। স্টলেও বিদ্যুৎ ছিল না।

অনুপম প্রকাশনির শাহিন বলেন, বিকেলে আমাদের বেচা-বিক্রি ছিল স্বাভাবিক। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা হওয়ার সাথে সাথে হঠাৎ করে বেচা-বিক্রি কমে যায়।

তবে আজ গতকালের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে না পারলেও মোটামুটি বিক্রি ভাল হবে বলেও আশা করেন এই বিক্রেতা।

কথা প্রকাশের নজরুল ইসলাম বলেন, গতকাল যে লোকসান হয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে পারবো না। তবে দেখি আজ কি হয়।

নন্দিতা প্রকাশের টুম্পা বসাই বলেন, মেলা যখন জমছিল তখন বৃষ্টি আমাদের বড় ক্ষতি করে দিল। আশা করি আজ ভাল হবে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান জাদুঘরের বিক্রেতা সৈয়দা ফরিদা বেগম বলেন, বেচা-বিক্রি কম হয়েছে কিন্তু আজ আশা করি ভাল হবে।

এসএস/সাকি