বৃষ্টিতে বিড়ম্বনায় বইপ্রেমিরা

0
90
OLYMPUS DIGITAL CAMERA

OLYMPUS DIGITAL CAMERAঅমর একুশে বই মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এখন কাদামাটিতে ভরা। মেলার মূল গেটে ঢোকার পথে স্যাঁত স্যাঁতে কাদা। পা উঁচু করে ঢুকছে দর্শনার্থীরা। বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ মেলার প্রবেশ পথে ইটের সোলিং করে দেওয়ায় দর্শনার্থীদের ঢুকতে কিছুটা সুবিধা হচ্ছে।

এবার মেলার সদস্য সচিব সাহিদা খাতুন মেলা পর্যাবেক্ষণ করছেন। মেলার স্টলের লোক থেকে শুরু করে পুলিশ সদস্যদেরও দেখা গেছে মেলায় কাজ করতে। মেলার ভিতর যেখানে কাদা সেখানে বালু দিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

বেলা বাড়ার সাথে সাথে মেলায় ধীরে ধীরে আসতে শুরু করেছে দর্শরার্থীরা। তবে বৃষ্টির কারণে মাঠে কাদা হাওয়ায় মেলার বই প্রেমী দর্শনার্থীদের সমস্যা হচ্ছে।

অনেক স্টলের ভিতরে পানি পড়ে বই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। উপরে ত্রিপলা দিয়ে দেওয়া হলেও তার ভিতর দিয়ে পানি ভিতরে ঢুকে পড়ছে। সবাই ব্যস্ত স্টলের সামনে জমে থাকা কাদার ওপর বালির প্রলেপ দিয়ে জায়গাটা কিভাবে শুকনা করা যায়।

আজকে মেলার সার্বিক বিষয় সর্ম্পকে জানতে চাইলে মেলার সদস্য সচিব সাহিদা খাতুন অর্থসূচককে জানান, মেলা যখন জমে উঠল ঠিক তখনি বৃষ্টি খুব সমস্যা করে দিল। কিন্তু সব সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ চলছে।

তিনি বলেন, মেলার প্রবেশ পথে ইটের সোলিং করে ছোট রাস্তা করে দিয়েছি। এখন মানুষ সাচ্ছন্দে মেলায় ঢুকতে পারছে। মেলার ভিতরে যেখানে বেশি কাদা সেখানে বালু দিয়ে দিচ্ছি যাতে করে মেলার ক্রেতা-বিক্রেতাদের কোনো সমস্যা না হয়। তিনি আরও বলেন, মেলার সার্বিক বিষয়ে সব সময় নজর রাখছি যেন কোথাও কোনো সমস্যা না হয়।

মেলায় কথা হয় সৈকত আবিদিনের সাথে। তিনি বলেন- মেলায় কাদা হওয়ায় ঢুকতে একটু সমস্যা হচ্ছে। তবে মেলায় এসে ভালোই লাগছে। তিনি আরও বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শুধু মাটি আর মাটি। তাই একটু বৃষ্টি হলে কাঁদা হওয়া স্বাভাবিক। তবে মেলা কর্তৃপক্ষ যদি আগে থেকে মেলায় বালু বিছিয়ে রাখতো কিংবা সকালেও কাজটি  করতো তাহলে এ সমস্যার সৃষ্টি হতো না।

অন্যপ্রকাশের শিশির আহমেদ বলেন, আজ আকাশের অবস্থা একটু ভালো। আশা করছি বেচা বিক্রি ভাল হবে। তবে মাঠে কাদা থাকায় মানুষের একটু অসুবিধা হচ্ছে।

এসএস/কেএফ