সরকারকে গণভোটে জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের আহ্বান মাহবুবের

0
30
khondokar mahabub hosen

khondokar mahabub hosenজনপ্রিয়তা যাচাইয়ে সরকারকে গণভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেন।

শনিবার বেলা সাড়ে ১২টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অলকমিউনিটি ফোরাম আয়োজিত  ‘বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও প্রতিবেশী দেশের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

বিএনপি ঢাকার রাজপথের আন্দোলনে ব্যর্থ নয় দাবি করে খন্দকার মাহবুব বলেন, বিএনপি নাকি রাস্তায় নামতে পারেনি। রাস্তায় পাগলা কুকুর থাকলে কি ভদ্র মানুষ নামতে পারে? নামেনি তাই সারাদেশে ভোটকেন্দ্রে মানুষ যায়নি। যদি নামত তাহলে বুঝতেন।

মাহবুব বলেন, সাদা পোশাকধারী বাহিনীর জোরে সরকার ক্ষমতায় এসেছে, সংবিধান লংঘন করেছে। এজন্য তাদের বিচার করা হবে।

সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি, তাই তারা জনগণের ক্ষমতায় বিশ্বাস করে না এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, সরকারের পায়ের নীচে মাটি নেই। যেকোনো সময় এ সরকারের পতন হবে।

বিদেশিরা অভিনন্দন জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারকে, শেখ হাসিনাকে নয় এমন দাবি করে তিনি বলেন, সারা পৃথিবী জানে দেশে কোনো নির্বাচনই হয়নি। বিদেশিরা এই নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য হয়েছে বলে স্বীকৃতি দেয়নি।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, কারো তাঁবেদারি করার জন্য যুদ্ধ করিনি, স্বাধীনভাবে বাঁচতেই জীবনবাজী রেখে যুদ্ধ করেছি।

বর্তমান হাসিনা সরকার কোন গণতান্ত্রিক সরকার নয় উল্লেখ করে মাহবুব বলেন,  গণবিস্ফোরনের মাধ্যমে এই অসাংবিধানিক সরকারের পতন ঘটানো হবে।

তিনি বলেন, ১৯দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আমরা শিগগিরই এই অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে আন্দোলনে নামব। সেই আন্দোলনে হাসিনা সরকার পালানোর পথ পাবেনা।

এই সরকারের পায়ের তলায় মাটি নেই এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন,  এই সরকারের কোনো বৈধতা নেই। যারা অবৈধ সরকারের আশেপাশে থাকবেন একদিন তাদেরকেও বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।

খন্দকার মাহবুব  বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর জামায়াতকে জঙ্গি এসব বলে ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবেন না। এ সরকার গণআন্দোলনে ভেসে যাবে।

সংসদ সদস্যদের সমালোচনা করে মাহবুব বলেন, সংবিধানে বলা আছে জনপ্রতিনিধিদের জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতে হবে। অথচ এ সরকারের ১৫৩ এমপি বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। যে কয়টি আসনে নির্বাচন হয়েছে সেখানে কোন লোক ভোট দিতে যায়নি, ভোট কেন্দ্রে গিয়েছে কিছু কুকুর।

আলোচনা সভায় আরো উপস্হিত ছিলেন, বাংলাদেশ কল্যান পার্টির সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মো. ইবরাহিম বীর প্রতীক, যুবদলের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাবেক এমপি আসিফা আশরাফ পাপিয়া, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, অধ্যাপক ইউসুফ হায়দার, কণ্ঠশিল্পী মনির খান, কবিরুল হায়দার চৌধুরী প্রমুখ।

জেইউ/এমআর