মুরগির দামে ঊর্ধ্বগতি

0
74
ব্রয়লার
ব্রয়লার মুরগি (ফাইল ছবি)

ব্রয়লাররাজধানীর খুচরা বাজারে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দর বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা।আর দেশি মুরগির দর বেড়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা।১ জানুয়ারির ব্রয়লার মুরগি ১৪ দিনের ব্যবধানে বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা কেজি দরে।একই সময়ে কেজি ওজনের দেশি মুরগি প্রতিপিস বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪১০ টাকা দরে। লেয়ার লাল মুরগি ১৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

দর বৃদ্ধির কারণ হিসেবে বিক্রেতারা রাজধানীতে বিয়ে, পিকনিকসহ নানা অনুষ্ঠানাদি বেড়ে যাওয়া, চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম হওয়া, খামারগুলোতে বার্ড ফ্লু আতঙ্ক, পরিবহণ খরচ বৃদ্ধিসহ ব্যবসায়িক সিন্ডিকেটকে দায়ি করছেন।

তারা বলছেন, চাহিদার তুলনায় খামারগুলোতে মুরগি পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতিদিনই দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন খামার মালিকরা। তাতে ভরা মৌসুমে বেশি দামে খামার থেকে মুরগি কিনতে হচ্ছে বলে মনে করেন পাইকারি বিক্রেতারা।

আর খামার মালিকরা বলছেন, কয়েক মাস ধরে চলা রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তারা। আবার খামারগুলোতে বার্ড ফ্লু আতঙ্ক থাকার কারণে উৎপাদন কমিয়ে এনেছেন তারা।

এতে এক দিকে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। অন্য দিকে চাহিদার বাজারে দর বাড়িয়ে দিচ্ছেন তারা।

রাজধানীর খুচরা বাজারে দুই সপ্তাহ আগে ব্রয়লার মুরগির দাম ছিলো ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা। যা আজ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা কেজি দরে। আবার দেশি কেজি ওজনের মুরগির দাম ছিলো ৩২৫ থেকে ৩৬০ টাকার মধ্যে। যা আজ বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪১০ টাকা দরে। আর লেয়ার লাল মুরগি ছিলো ১৪০ টাকা। যা আজকের খুচরা দর ছিল ১৬০ টাকা।

এদিকে একই সময়ে পাইকারি বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৫ টাকা, লেয়ার মুরগি ২০ টাকা, সাদা লেয়ার মুরগি ১৫ টাকা দর বৃদ্ধি পেয়েছে। দুই সপ্তাহ আগে পাইকারি বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৩৫ টাকা, লেয়ার মুরগি ১২৫ টাকা, সাদা লেয়ার ১৪৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিলো। যা আজ পাইকারি বাজারে ব্রয়লার ১৪৮ থেকে ১৫০ টাকা, লেয়ার মুরগি ১৪৫ টাকা, সাদা লেয়ার ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

কাপ্তান বাজারের হবি মুরগি দোকানের দেশি মুরগি বিক্রেতা হবি মিয়া অর্থসূচককে জানান, দুই সপ্তাহের ব্যবধানে কেজি ওজনের দেশি মুরগি পিসে ৫০ টাকা বেড়েছে। দেশি মুরগি চাহিদা তুলনায় চালান কম আসায় দাম বেশি বলে জানান তিনি।

একই বাজারের শিকদার পল্ট্রী হাউসের ব্যবস্থাপক জুলহাস জানান, বাজারে চাহিদার তুলনায় গাড়ি কম আসছে। তাতে দাম বেশি থাকলেও প্রতিদিনের মুরগি দুপুরের মধ্যেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।

আর মেহরীন পল্ট্রী হাউসের বিক্রেতা লাবলু জানান, শীতে মুরগির চাহিদা বাড়ে। তাছাড়া বিয়ে-শাদী, বনভোজন, অনষ্ঠানাদির কারণে দর বেড়ে যাচ্ছে।

শান্তিনগর বাজারের মুরগি বিক্রেতা রুহুল আমিন মনে করেন, এখন থেকে মুরগির দর আর না কমে বাড়বে। খামারগুলোতে সিজন শেষের দিকে যাবে বলে দর বাড়তি হবে বলেও মনে করেন তিনি।