আশুগঞ্জে দেড় মাসেও গ্রেপ্তার হয়নি জোড়া খুনের আসামি

0
79
brahmmonbaria

brahmmonbaria_logoব্রাহ্মণবাড়িয়া  আশুগঞ্জ উপজেলার  সোহাগপুর  গ্রামের জোড়া খুনের ঘটনার দেড় মাস পার হয়ে গেলেও পুলিশ এখনো কোন আসামি গ্রেপ্তার করতে পারেনি। উল্টো বাদীর পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করছে আসামি পক্ষের লোকজন। জোড়া খুনের ঘটনায় থানায় ২টি হত্যা মামলা করেও দুই বাদী পরিবারের আতংকে দিন কাটছে। নিহত পরিবারের দাবি প্রকাশ্যে দুইটি জীবন্ত প্রাণকে হত্যা করেও হত্যাকারিরা থেমে নেই। এখন হত্যা মামলা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে  আবারও মানুষ হত্যা করার মিশনে নেমেছে দুই মামলার আসামিরা।

পুলিশ ও নিহতদের পরিবার সূত্রে জানা যায় উপজেলার সোহাগপুর গ্রামে গত বছর ২৯ ডিসেম্বর দু’দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে চৌধুরী বাড়ির লোকজনের  হামলায় মোল্লাবাড়ীর শরীফ ও হীরা মিয়া ঘটনাস্থলে নিহত হয়। এ ঘটনায় নিহত শরিফের বাবা শাজাহান মিয়া বাদি হয়ে  ১৭ জনকে আসামি করে ও নিহত হিরা মিয়া ছেলে মো. নাহিদ মিয়া বাদি হয়ে ২১ জনকে  আসামি করে থানায় দুইটি হত্যা মামলা দায়ের করে। নিহত হিরা মিয়া ছেলে মো. নাহিদ মিয়া জানান গত বছর ২৯ ডিসেম্বর ঘটনা পর  থেকে  হত্যাকারিরা নানা ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। হত্যা  মামলা দুইটি  ভিন্নখাতে প্রবাবিত করার জন্য আসামিরা চৌধুরী বাড়ীর প্রতিবন্ধি বৃদ্ধ বুধাই মিয়ার বসত ঘরে অগ্নিসংযোগ করে হত্যার চেষ্টা করে। তার আত্বচিৎকারে আশ পাশের লোকজন এসে  আগুন  নিভালে কোন রকমে তিনি বেঁচে যান। তা না হলে উল্টো আমরা হত্যা মামলার আসামি হয়ে যেতাম। নিহিত শরিফের বাবা  শাজাহান মিয়া বলেন আমার সন্তানকে তারা প্রকাশ্যে  হত্যা  করল আবার তারাই আমাদের মামলা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে একেক সময় একেক ধরনের সাজানো নাটক করছে। দুই মামলার বাদি চৌধুরি বাড়ির প্রতিবন্ধি বৃদ্ধ বুধাই মিয়াকে হত্যার চেষ্টা করার বিষয়টি থানায় সাধারণ ডাইরি করা হয়েছে এবং  উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করা হয়েছে ।

এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা থানার  এস আই সিরাজুল ইসলাম  জানান প্রতিবন্ধি বৃদ্ধ বুধাই মিয়াকে পুলিশ উদ্ধার করে তার পরিবারের হেফাজতে রাখা হয়েছে। তিনি আরও  জানান এই জাতীয় কোন ঘটনা না যাতে না ঘটতে পারে এ জন্য পুলিশের নজরধারিতে রাখা হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তার করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে। আশুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম ফারুক জানান  প্রতিবন্ধি  বৃদ্ধ বুধাই মিয়ার বিষয়টি সোহাগপুর গ্রাম বাসি আমাকে অবহিত করেছে। তবে কারা এ ঘটনা সৃষ্টি করছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সাকি/